তৃণমূলের সাংসদরা একজোট হয়ে এসআইআর-এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেন। শুধু তাই নয়, এর আসল অর্থ কী, সেটাও বোঝান। তৃণমূলের দাবি - এটি আসলে 'সাইলেন্ট ইনভিজিবল রিগিং'।

সংসদের বাইরে তৃণমূলের বিক্ষোভ
শেষ আপডেট: 8 August 2025 11:32
দ্য ওয়াল ব্যুরো: এসআইআর (SIR) ইস্যুতে উত্তাল জাতীয় থেকে রাজ্য রাজনীতি। ইতিমধ্যে বিহারে ৬৫ লক্ষের বেশি নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ যাওয়াকে কেন্দ্র করে বিতর্ক। এরই মধ্যে আবার বাংলায় (West Bengal) এসআইআর হতে পারে, এমন সম্ভাবনা প্রবল। সেই নিয়ে প্রতিবাদ-বিক্ষোভে সরব হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস (TMC)। শুক্রবার দিল্লিতে সংসদের বাইরে এই ইস্যুতে বিক্ষোভ করেছে বাংলার শাসক দল। প্রতিবাদে সামিল ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও (Abhisekh Banerjee)।
তৃণমূলের সাংসদরা (TMC MP) একজোট হয়ে এসআইআর-এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেন। শুধু তাই নয়, এর আসল অর্থ কী, সেটাও বোঝান। তৃণমূলের দাবি - এটি আসলে 'সাইলেন্ট ইনভিজিবল রিগিং' (Silent Invisible Rigging)। এইভাবে বাংলা তথা বাঙালির ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। বাংলা-বাঙালিকে অপমান করা করছে নির্বাচন কমিশন (ECI)। একই সঙ্গে, বাংলা ভাষার অপমানের অভিযোগ তুলেও সংসদের বাইরে সরব হন তৃণমূল সাংসদরা। সামনের সারিতে দেখা যায়, মালা রায় থেকে শুরু করে, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়, জুন মালিয়া, কাকলি ঘোষ দস্তিদার, সুস্মিতা দেব সহ প্রমুখদের।
বৃহস্পতিবার দিল্লি যাওয়ার আগে এই ইস্যুতেই সংবাদমাধ্যমে মুখ খুলেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সাফ বক্তব্য ছিল, এখনও বাংলার নির্বাচনের বেশ কয়েক মাস দেরি। কিন্তু বিগত এক-দেড় বছর ধরে বাংলার সরকারকে কাজ করতে দিচ্ছে না নির্বাচন কমিশন। কার্যত এক্তিয়ার বহির্ভূত কাজ করছে তাঁরা। আর এর ফায়দা পাচ্ছে বিজেপি। অভিষেকের কথায়, ''বিজেপি নির্বাচন কমিশনকে নিজেদের কাজে লাগাচ্ছে, বিচারব্যবস্থাকেও লাগাচ্ছে। আর বাংলার মানুষের ভোটাধিকার কাড়ার চেষ্টা করছে।''
এসআইআর (SIR) নিয়ে যখন কৌতূহল বাড়ছে বাংলায় ঠিক সেই সময়ে নির্বাচন কমিশনের পরপর কিছু কাজ নিয়ে সরব হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। সম্প্রতি দুই ডব্লিউ বি সি এস অফিসারকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। সেই ইস্যুতে গর্জে উঠেছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। একই সুরে কমিশনকে বিঁধেছেন লোকসভার তৃণমূলের দলনেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।