বিচারপ্রার্থী পক্ষের দাবি, ‘‘কোর্ট অনুমতি দিয়েছিল শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ জানানোর। পুলিশ নিজেই সেই নির্দেশ লঙ্ঘন করেছে। উপরন্তু নিরীহ আন্দোলনকারীদের নামে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে।’’
.jpeg.webp)
ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 13 August 2025 15:14
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নবান্ন অভিযানের (Nabanna Abhiyan) জন্য হাইকোর্টের (Calcutta High Court ) অনুমতি থাকা সত্ত্বেও পুলিশের ‘আগ্রাসী ভূমিকা’ ঘিরে ফের বিতর্ক। আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে (RG Kar) মৃত চিকিৎসকের পরিবারের সদস্যদের উপর পুলিশ লাঠিচার্জ করেছে বলে অভিযোগ। একই সঙ্গে বেশ কয়েকজন আন্দোলনকারীর বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছে এফআইআর।
এবার সেই এফআইআর খারিজের দাবিতে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন ময়ুখ মুখোপাধ্যায় নামে এক আইনজীবী। বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত মামলার অনুমতি দিয়েছেন। আগামিকাল এই মামলা উঠবে বিচারপতির এজলাসে।
সূত্রের খবর, হাইকোর্টের নির্দেশে নবান্ন অভিযানের অনুমতি মিললেও, গত সপ্তাহে ধর্মতলা চত্বরে আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশ লাঠিচার্জ করে। ওই মিছিলে যোগ দিয়েছিলেন আরজি কর কাণ্ডে মৃত চিকিৎসক ছাত্রীর বাবা-মা। তাঁদের উপর ‘অনভিপ্রেত’ হামলার অভিযোগ ঘিরে ইতিমধ্যেই সরগরম রাজ্য রাজনীতি।
পুলিশি অভিযানে আহত হন বেশ কয়েকজন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন নির্যাতিতা চিকিৎসক ছাত্রীর বাবা-মাও। এরপরেই বিক্ষোভকারীদের একটি অংশের বিরুদ্ধে এফআইআর নথিভুক্ত করে কলকাতা পুলিশ।
এই প্রেক্ষিতেই আইনজীবী ময়ুখ মুখোপাধ্যায় বুধবার বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের কাছে আবেদন জানান, এই এফআইআর খারিজের জন্য যেন তিনি হাইকোর্টে মামলা দায়েরের অনুমতি পান। বিচারপতি সেই অনুমতি দিয়েছেন বলে আদালত সূত্রের খবর। মামলার শুনানি হবে বৃহস্পতিবার, বিচারপতি জয় সেনগুপ্তর এজলাসে।
বিচারপ্রার্থী পক্ষের দাবি, ‘‘কোর্ট অনুমতি দিয়েছিল শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ জানানোর। পুলিশ নিজেই সেই নির্দেশ লঙ্ঘন করেছে। উপরন্তু নিরীহ আন্দোলনকারীদের নামে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে।’’
যদিও পুলিশের তরফে ইতিমধ্যে সাংবাদিক বৈঠক থেকে দাবি করা হয়েছে, আদালতের নিয়ম লঙ্ঘন করে পুলিশের ওপরেই আক্রমণ করেছেন আন্দোলনকারীরা। নিজেদের দাবির সপক্ষে সাংবাদিক বৈঠকে একাধিক ভিডিও ফুটেজও দেখিয়েছে পুলিশ।