নন্দীগ্রাম সফরের পর মুর্শিদাবাদে পৌঁছেছেন সিইও মনোজ আগরওয়াল। জেলার নির্বাচনী প্রস্তুতি খতিয়ে দেখে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁর মতে, জেলার বুথ পরিকাঠামো অত্যন্ত উন্নত এবং সেখানে কোনো ভীতি বা হুমকির পরিবেশ নেই।

মনোজ আগরওয়াল
শেষ আপডেট: 11 April 2026 20:02
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গত শনিবার পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম সফরে (CEO Nandigram) গিয়েছিলেন সিইও মনোজ আগরওয়াল (Manoj Agarwal)। সেই সফর ঘিরেই দানা বেঁধেছে তীব্র বিতর্ক। এরপরেও দমে না গিয়ে মুর্শিদাবাদে পৌঁছে গিয়েছেন মনোজ আগরওয়াল। সেখান থেকেই নির্বাচনে প্রস্তুতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন তিনি। সিইও আশাবাদী, 'উৎসবে'র মতন হবে এবারের নির্বাচন (West Bengal Assembly Election 2026)।
ভোটের প্রস্তুতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে মনোজ আগরওয়ালের দাবি, "এখানে কী ক্রাইসিস আছে? এখানে কোনও ক্রাইসিস নেই। এখানে কোনও প্রবলেম নেই। এখানে সব মানুষ একসঙ্গে রয়েছে।" নির্বাচন কেন্দ্র প্রসঙ্গে তাঁর মত, "এখানে, ইনফ্রাস্ট্রাকচার এত ভালো। আমি এত বুথ দেখেছি, এরকম ভালো বুথ দেখিনি।"
মনোজ আগরওয়াল আশাবাদী মুর্শিদাবাদে আসন্ন নির্বাচনে কোনও সমস্যা হবে না। তিনি বলেন, "আমি অনেক গ্রামে গিয়েছি। ওখানে কোনও ভয় ভীতি নেই। কোনও হুমকি নেই।" তিনি বলেন, মানুষ তাকে জানিয়েছেন অন্যবারের মতই তারা এবারও ভোট দিতে আসবেন। এবার মুর্শিদাবাদে রক্তপাতহীন নির্বাচন হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। তাঁর দাবি, "এবারের নির্বাচনে মুর্শিদাবাদে দুর্গা পুজোর মত উৎসব হবে। লোক আসবে ভোট দেবে চলে যাবে।"
এসআইআর প্রক্রিয়ায় মুর্শিদাবাদে সবথেকে বেশি নাম বাদ গিয়েছে। এই অবস্থায় মুর্শিদাবাদের আইন শৃঙ্খলা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "সুপ্রিম কোর্টের অর্ডারের পরে, নাম অ্যাডজুডিকেশন করেছিল জুডিশিয়াল অফিসাররা। সেখান থেকে কিছু নাম বাদ গিয়েছে। ট্রাইব্যুনাল তৈরি করা হয়েছে। সেখানে মানুষ যাচ্ছেন এবং অ্যাপিল করছেন।" তাঁর দাবি, "এত নাম বাদ যাওয়ার যে কথা আপনি বলছেন সেটা তো সুপ্রিম কোর্টের অর্ডারের ভিত্তিতে জুডিশিয়াল পদ্ধতিতে হয়েছে। এটা ইসিআই অথবা ইআরও থেকে হয়নি। অ্যাডজুডিকেশনে যদি নাম বাদ যায় তাহলে নিয়ম আছে। তারা আবার আবেদন করবেন। যোগ্য হলে নিশ্চয়ই আবার নাম উঠবে।"
মুর্শিদাবাদে আসন্ন নির্বাচনে প্রশাসন একজোট হয়ে মানুষের পাশে থেকে কাজ করবে বলে জানিয়েছেন মনোজ আগরওয়াল। তিনি বলেন, "এখানে ডিএম, এসপি-সহ প্রশাসন রয়েছে। এর সঙ্গেই সিএপিএফ রয়েছে। সবাই মিলে বৈঠক করছে। গোটা প্রশাসন একজোট হয়ে মানুষকে সাহায্য করবে। ভয়মুক্ত নির্বাচন হবে এখানে।" তাঁর দাবি, "মানুষ চান সব জায়গায় সুস্থ নির্বাচন হোক। এসব কাজ দুষ্কৃতিরা করে। সাধারণ মানুষ করে না। দুষ্কৃতিদের বিরুদ্ধে আমরা ব্যবস্থা নেব।"