সোমবার দুর্গাপুরে পৌঁছবেন তিনি। তিনদিনের সফরে পর পর পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা ও কলকাতার চূড়ান্ত ভোট প্রস্তুতি খতিয়ে দেখবেন জ্ঞানেশ। তাঁর সঙ্গে আরও দুই সিনিয়র কমিশনার থাকবেন বলে সূত্রের খবর।

জ্ঞানেশ ভারতী
শেষ আপডেট: 11 April 2026 19:01
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজ্য বিধানসভা ভোটের (West Bengal Assembly Election 2026) মধ্যেই ফের বাংলায় আসছেন সিনিয়র ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ ভারতী (Deputy EC Gyanesh Bharti)। আগামী সোমবার দুর্গাপুরে পৌঁছবেন তিনি।
তিনদিনের সফরে পর পর পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা ও কলকাতার চূড়ান্ত ভোট প্রস্তুতি খতিয়ে দেখবেন জ্ঞানেশ। তাঁর সঙ্গে আরও দুই সিনিয়র আধিকারিক থাকবেন বলে সূত্রের খবর। দিল্লি থেকে সরাসরি অন্ডাল বিমানবন্দরে নামবেন তাঁরা। সেখান থেকে সড়কপথেই পর পর জেলাগুলিতে সফর করে শেষে কলকাতায় আসবেন।
জানা গেছে, সোমবার শুধুমাত্র পশ্চিম বর্ধমান জেলার কাজ খতিয়ে দেখবেন জ্ঞানেশ ভারতী। পরের দিন পূর্ব বর্ধমান এবং হুগলি, এই দুই জেলার প্রস্তুতির কাজ খতিয়ে দেখার পর বুধবার প্রথমে উত্তর ২৪ পরগনা এবং পরে সিইও-র সঙ্গে বৈঠক করে বুধ রাতেই দিল্লি উড়ে যাবেন জ্ঞানেশ ভারতী। প্রসঙ্গত, এসআইআর পর্বে যে ৭ জেলার কাজ নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেছিল ইসিআই তার মধ্যেই ছিল দুই বর্ধমান ও হুগলি।
দক্ষিণবঙ্গ ছাড়াও উত্তরবঙ্গের জন্যেও আরও একটি দল আসছে। কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ১৩ এপ্রিল বাগডোগরা বিমানবন্দরে পৌঁছে আলিপুরদুয়ারে যাবেন তাঁরা। সেদিন বিকেলেই জেলার ভোটার সচেতনতা কর্মসূচি এবং মিডিয়া সংক্রান্ত কার্যকলাপ নিয়ে বৈঠক করার কথা রয়েছে।
পরদিন, ১৪ এপ্রিল আলিপুরদুয়ার থেকে কোচবিহার হয়ে জলপাইগুড়িতে যাবেন কমিশনের প্রতিনিধি দল। সকালে আলিপুরদুয়ারে ভোটার সচেতনতা কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার পর কোচবিহারে গিয়ে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করবেন। বিকেলে জলপাইগুড়িতে ফিরে আবার পর্যালোচনা বৈঠক নির্ধারিত রয়েছে।
১৫ এপ্রিল জলপাইগুড়ি ও কালিম্পং জেলায় কর্মসূচি রয়েছে। সকালে জলপাইগুড়িতে কর্মসূচি সেরে কালিম্পংয়ে গিয়ে মিডিয়া ও সচেতনতা কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হবে। ১৬ এপ্রিল কালিম্পং থেকে দার্জিলিংয়ে গিয়ে ভোটার সচেতনতা কর্মসূচি নিয়ে বৈঠক করবেন তাঁরা। ১৭ এপ্রিল দার্জিলিং থেকেই দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেওয়ার কথা রয়েছে কথা তাঁদের।
ভোট ঘোষণার পর থেকেই রাজ্যের প্রশাসনিক স্তরে বড়সড় রদবদল করেছে নির্বাচন কমিশন। মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব থেকে শুরু করে ডিজি, সিপি, ডিআইজি - এমনকি জেলা স্তরের ডিএম ও ডিইওদেরও সরানো হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত ঘিরে ইতিমধ্যেই বিতর্ক তীব্র হয়েছে। তবে কমিশন বারবার দাবি করছে, রাজ্যে স্বচ্ছ ও অবাধ নির্বাচন করার জন্য়ই যাবতীয় পদক্ষেপ করা হচ্ছে। এরই মধ্যে রাজ্য আবার ডেপুটি নির্বাচন কমিশনারের সফর আলাদাভাবে তাৎপর্য তৈরি করছে।