আরজি করের ঘটনার এক বছর পরও প্রকৃত অপরাধীরা ধরা পড়েনি, এই অভিযোগে গত ৯ অগস্ট নবান্ন অভিযানে সামিল হন নির্যাতিতার পরিবার।

গ্রাফিক্স-দ্য ওয়াল।
শেষ আপডেট: 10 September 2025 12:52
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নবান্ন অভিযানে (Nabanna Abhijan) আরজি করের নির্যাতিতার মায়ের মাথায় চোট লাগার ঘটনায় (Mother of RG Kar victim, injured)বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ।
এ ব্যাপারে নিউ মার্কেট ও শেক্সপিয়ার সরণি থানার পুলিশের দেওয়া রিপোর্টে (Police Investigation) অসন্তোষ প্রকাশ করে তিনি জানান, পুলিশ তাদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেনি।
আরজি করের ঘটনার এক বছর পরও প্রকৃত অপরাধীরা ধরা পড়েনি, এই অভিযোগে গত ৯ অগস্ট নবান্ন অভিযানে সামিল হন নির্যাতিতার পরিবার। ধর্মতলা থেকে পার্কস্ট্রিট যাওয়ার মুখে পুলিশ তাদের আটকে দেয়। তখনই পুলিশের বাধার মুখে পড়ে গুরুতরভাবে আহত হন নির্যাতিতার মা। মাথায় আঘাত পেয়ে তাঁকে ভর্তি করতে হয় মনিপাল হাসপাতালে। এই ঘটনার পরই কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের হয়।
বুধবার মামলার শুনানিতে বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, মেডিকেল রিপোর্ট পুলিশ গ্রহণ না করায় তিনি বিস্মিত। তিনি নির্দেশ দেন, ডেপুটি কমিশনার পদমর্যাদার এক আধিকারিক এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করবেন।
উল্লেখযোগ্যভাবে, ওই আধিকারিক মনিপাল হাসপাতালের মেডিকেল রিপোর্ট খতিয়ে দেখবেন এবং প্রমাণ মিললে দ্রুত এফআইআর দায়েরের নির্দেশও দেন বিচারপতি। একইসঙ্গে হাইকোর্ট জানিয়ে দেয়, ঘটনাটি অপরাধযোগ্য কি না, তা নির্ধারণ করবে তদন্তকারী আধিকারিক। তার রিপোর্ট দেখে কলকাতা পুলিশ কমিশনার নিজেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেবেন।
বিচারপতি তীব্র ভাষায় প্রশ্ন তোলেন, কেন নিউ মার্কেট থানা ও শেক্সপিয়ার সরণি থানা মেডিকেল রিপোর্ট নিতে অস্বীকার করল। ঘটনার গুরুত্ব বিচার করে দ্রুত পদক্ষেপের জন্য কলকাতা পুলিশকে কড়া বার্তা দেন তিনি।
এখন দেখার, পুলিশের তরফে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয় এবং আরজি করের মায়ের ওপর হামলার ঘটনার তদন্তে নতুন কী তথ্য উঠে আসে।