নাবালিকাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে একাধিকবার সহবাসের অভিযোগ উঠেছিল গাইঘাটা থানার সুটিয়ার বাসিন্দা সুরজ মণ্ডলের বিরুদ্ধে। মেয়েটির পরিবার জানতে পেরে অভিযোগ করতেই শ্রীঘরে স্থান হয় যুবকের।

শেষ আপডেট: 12 February 2026 12:42
প্রতীতি ঘোষ, বনগাঁ: প্রেমের মাসে এক অদ্ভূত বিয়ের সাক্ষী হল বনগাঁ মহকুমা আদালত। যেখানে বিবাহবাসর বসল আদালত চত্বরে, আর অতিথিরা সবাই আদালতের আইনজীবী।
নাবালিকাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে একাধিকবার সহবাসের অভিযোগ উঠেছিল গাইঘাটা থানার সুটিয়ার বাসিন্দা সুরজ মণ্ডলের বিরুদ্ধে। মেয়েটির পরিবার জানতে পেরে অভিযোগ করতেই শ্রীঘরে স্থান হয় যুবকের। অবশেষে নাবালিকা বয়স ১৮ হওয়ার পর ছেলে ও মেয়ে উভয়ের পরিবার বিয়েতে সম্মত হয়। তুলে নেওয়া হয় মামলা। বুধবার শ্রীঘর থেকে সোজা আদালত চত্বরে নিয়ে আসা হয় যুবককে। এরপর আইনজীবীদের সামনে কাবিলনামা পড়ে বিয়ে হয় যুবক-যুবতীর।
বুধবার দুপুরে বনগাঁ মহকুমা আদালত চত্বরে এই বিবাহ সম্পন্ন হয়। মাস চারেক আগে গাইঘাটা থানার সুটিয়ার বাসিন্দা ওই যুবকের বিরুদ্ধে নদিয়ার এক নাবালিকাকে প্রেমের জালে ফেলে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে একাধিকবার সহবাসের অভিযোগ ওঠে। এরপর বিয়ে করতে অস্বীকার করে বলেও অভিযোগ।
ওই নাবালিকা কাউকে কিছু না জানালেও পরে গর্ভবতী হয়ে পড়ে। একদিন তার রক্তক্ষরণ শুরু হওয়ায় মায়েরর কাছে সব কিছু বলে দেয় ওই নাবালিকা। এরপর ওই যুবকের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করে নাবালিকার পরিবার। অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার করে আদালতে তোলা হলে ওই যুবককে জেলে হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক। চারমাস পর ওই নাবালিকার বয়স ১৮ হওয়ায় ছেলের পরিবারের লোকেরা তাদের ছেলের সঙ্গে বিয়ে দিতে রাজি হয়। বিয়ে করবে সেই শর্তে জেল থেকে মুক্তি পায় ওই যুবক। এরপর কোর্ট চত্বরে কাজি ডেকে কাবিলনামা পড়ে দুজনের বিবাহ সম্পন্ন হয়।