ডিভিশন বেঞ্চ রাজ্য সরকারকে আগামী দু’সপ্তাহের মধ্যে বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ১৭ ফেব্রুয়ারি।

গ্রাফিক্স-দ্য ওয়াল।
শেষ আপডেট: 29 January 2026 14:22
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পাঁচ মাস ধরে অধরা লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা (Lakshmi Bhandar)। পূর্ব মেদিনীপুরের ময়নার (Mayna, East Midnapore ) বাগচা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার প্রায় সাত হাজার মহিলা কেন এখনও প্রকল্পের অর্থ পেলেন না, সেই প্রশ্নেই এ বার রাজ্যের জবাবদিহি চাইল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)।
লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা বন্ধ থাকার অভিযোগে দায়ের হওয়া জনস্বার্থ মামলার শুনানিতে বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ রাজ্য সরকারকে আগামী দু’সপ্তাহের মধ্যে বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ১৭ ফেব্রুয়ারি।
মামলাকারীদের অভিযোগ, ময়না বিধানসভার অন্তর্গত বাগচা গ্রাম পঞ্চায়েতে গত বছরের সেপ্টেম্বর মাস থেকে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা বন্ধ। অথচ রাজ্যের এই প্রকল্পে তফসিলি জাতি ও জনজাতিভুক্ত মহিলারা মাসে ১২০০ টাকা এবং অন্যান্য মহিলারা ১০০০ টাকা করে পাওয়ার কথা। তা সত্ত্বেও দীর্ঘ সময় ধরে প্রায় সাত হাজার মহিলা এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত।
মামলাকারীর আইনজীবী বিল্বদল ভট্টাচার্যের দাবি, জেলাশাসকের মাধ্যমে সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো হলেও শুধুমাত্র বিজেপি পরিচালিত এই গ্রাম পঞ্চায়েতেই সমস্যা দেখা দিয়েছে। উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবেই মহিলাদের প্রকল্পের সুবিধা থেকে দূরে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ। অন্য দিকে রাজ্যের তরফে জানানো হয়েছে, সংশ্লিষ্ট এলাকা নিয়ে নারী, শিশু ও সমাজকল্যাণ দফতরে একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছে। সেগুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এখন দেখার আগামী শুনানিতে বঞ্চিত সাত হাজার মহিলার লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে আদালত কী নির্দেশ দেয়।