হুমায়ুনের দাবি, বিপুল ভিড়ের কারণে জায়গার অভাবে দু’দফায় নামাজ পড়াতে হয়েছে। তাঁর কথায়, “আমি কাউকে ডাকিনি। তবু আগের রাত থেকেই মানুষ নামাজ পড়তে এলাকায় হাজির হয়েছেন।”
.jpeg.webp)
গ্রাফিক্স-দ্য ওয়াল।
শেষ আপডেট: 19 December 2025 16:04
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী সোমবার, ২২ ডিসেম্বর মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) টেক্সটাইল মোড় থেকে তাঁর নতুন রাজনৈতিক দলের আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ করতে চলেছেন ভরতপুরের সাসপেন্ডেড তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর (Humayun Kabir)। তার আগেই বেলডাঙায় তাঁর প্রস্তাবিত মসজিদের (Proposed Mosque) সামনে জুম্মাবারের (শুক্রবার) নামাজে লক্ষাধিক মানুষের জমায়েত ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক জল্পনা।
হুমায়ুনের দাবি, বিপুল ভিড়ের কারণে জায়গার অভাবে দু’দফায় নামাজ পড়াতে হয়েছে। তাঁর কথায়, “আমি কাউকে ডাকিনি। তবু আগের রাত থেকেই মানুষ নামাজ পড়তে এলাকায় হাজির হয়েছেন।” হুমায়ুন জানান, এদিনের নামাজে রাজ্যের উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নদিয়া, হাওড়া, হুগলি, কোচবিহার, দুই দিনাজপুর, মালদহ ও মুর্শিদাবাদ ছাড়াও ত্রিপুরা, আসাম, বিহার ও ঝাড়খণ্ড থেকে বহু মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
নতুন দল ঘোষণার ঠিক আগে এই বিপুল জমায়েতকে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক মহল। এর আগে হুমায়ুন কবীর দাবি করেছিলেন, ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে তাঁর দল রাজ্যের রাজনীতিতে বড় ফ্যাক্টর হয়ে উঠবে। তাঁর বক্তব্য ছিল, তৃণমূল বা বিজেপি—কেউই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে না। সরকার গড়তে গেলে তাঁর দলের সমর্থন প্রয়োজন হবে।
তবে এদিন প্রকাশ্যে রাজনীতি নিয়ে মন্তব্য এড়িয়ে গিয়েছেন ভরতপুরের এই সাসপেন্ডেড বিধায়ক। ধর্ম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “নিজের ধর্মের প্রতি যেমন আমরা আস্থাশীল, তেমনই অন্য ধর্মের প্রতিও শ্রদ্ধাশীল থাকব। ইসলাম শান্তির ধর্ম। অন্য কোনও ধর্মের মানুষের ক্ষতি হয়, এমন কাজ আমরা করব না।”
নতুন দলের আত্মপ্রকাশের আগে বেলডাঙার এই জমায়েত যে হুমায়ুন কবীরের রাজনৈতিক প্রভাব ও সংগঠনী শক্তির ইঙ্গিত দিচ্ছে, তা মানছেন ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ।