প্রাথমিকভাবে শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লাগতে পারে বলে অনুমান। তবে বিল্ডিংয়ের ভিতরে থাকা একটি বেকারির দিক থেকেও আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে - এই সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না তদন্তকারীরা। অগ্নিকাণ্ডের সঠিক কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে।

ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 8 January 2026 08:35
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কলকাতায় (Kolkata) পরপর দু’টি অগ্নিকাণ্ডের (Kolkata Fire) ঘটনা। বুধবার রাতের আনন্দপুরের (Anandapur Fire Incident) ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই বৃহস্পতিবার অফিস টাইমে ভয়াবহ আগুন লাগে নিউটাউনের একটি বহুতল অফিস ভবনে (Newtown Office Building Fire)। কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় গোটা এলাকা, আতঙ্কে বিল্ডিং থেকে বেরিয়ে আসেন বহু মানুষ।
দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকাল প্রায় সাতটা নাগাদ নিউটাউনের থাকদাঁড়ি এলাকায় অবস্থিত সিনার্জি বিল্ডিংয়ে আগুন লাগে। দ্রুত একের পর এক তলে ছড়িয়ে পড়ে আগুন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের (Fire Brigade) চারটি ইঞ্জিন। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ শুরু করেন দমকলকর্মীরা।
প্রাথমিকভাবে শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লাগতে পারে বলে অনুমান। তবে বিল্ডিংয়ের ভিতরে থাকা একটি বেকারির দিক থেকেও আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে - এই সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না তদন্তকারীরা। অগ্নিকাণ্ডের সঠিক কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে।
এর আগে বুধবার সন্ধে সাড়ে ছ’টা নাগাদ আনন্দপুর থানার অন্তর্গত নোনাডাঙা বস্তি সংলগ্ন এলাকায় ভয়াবহ আগুন লাগে। আগুনের লেলিহান শিখা এতটাই তীব্র ছিল যে বহু দূর থেকেও তা স্পষ্ট দেখা যায়। যদিও ঠিক বস্তির ভিতরেই আগুন লেগেছিল কি না, সে বিষয়ে দমকলের তরফে এখনও সরকারি ভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আগুনের তীব্রতায় বস্তি এলাকার একাধিক ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এলাকা ঘন জনবসতিপূর্ণ হওয়ায় মুহূর্তের মধ্যে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের ছ’টি ইঞ্জিন।
বাসিন্দাদের অভিযোগ, বস্তির পাশে আবর্জনার স্তূপ ও বিপুল পরিমাণ দাহ্য সামগ্রী মজুত থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে যথেষ্ট বেগ পেতে হয় দমকল কর্মীদের।
পরপর অগ্নিকাণ্ডে শহরের অগ্নি-নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। দুই ঘটনারই পূর্ণাঙ্গ তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে দমকল বিভাগ।