কসবায় ল কলেজে গণধর্ষণের অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে কলকাতা তথা গোটা রাজ্যে। এই ঘটনায় মানসিকতা বদলের বার্তা তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়
শেষ আপডেট: 27 June 2025 20:35
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কসবায় ল কলেজে (Kasba Law College) গণধর্ষণের অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে কলকাতা তথা গোটা রাজ্যে। এই ঘটনায় মানসিকতা বদলের বার্তা তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের (kalyan Bandopadhyay)।
কলেজ ক্যাম্পাসের মধ্যেই এক ছাত্রীকে ধর্ষণ করে সেই কলেজেরই কয়েক জন। ঘটনার পরই তিন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ (Police)। জানা গিয়েছে, তাঁদের মধ্যে মূল অভিযুক্ত তৃণমূল ছাত্র পরিষদের নেতা। আর এখান থেকেই রাজনীতি তুঙ্গে।
ঘটনার বিরুদ্ধে পথে নেমেছে এসএফআই (SFI), সরব হয়েছে বিজেপিও (BJP)। এ প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে প্রথমে মুখ খোলেননি তৃণমূল সাংসদ ও আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে পরে তাঁর মন্তব্য— “এই ধরনের ঘটনা রুখতে গেলে আগে মানুষের মানসিকতার বদল দরকার।”
সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “নিরাপত্তা ব্যবস্থা তো আছেই। কিন্তু যদি একজন বন্ধু তাঁর বান্ধবীকে ধর্ষণ করে, সেখানে নিরাপত্তা কী করতে পারে? শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভিতরে যদি এই ঘটনা ঘটে, সেখানে কি পুলিশ থাকবে? শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তো পুলিশ দাঁড় করানো যায় না।”
তাঁর মতে, “সহপাঠী বা সহকর্মীরাই যেখানে অপরাধ করছে, সেখানে দায়িত্ব কার? কলেজ কর্তৃপক্ষের নিশ্চয়ই ভূমিকা আছে, কিন্তু প্রাক্তন ছাত্ররা যদি অনুপ্রবেশ করে, তা হলে নিশ্চয়ই কোথাও কোনও যোগসূত্র রয়েছে।”
কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এও বলেন, “কলেজ কর্তৃপক্ষ তো সরকার নয়। যদি তারা নিজে থেকে ব্যবস্থা নিতে না পারে, তা হলে তাদের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। শুধু আইন বা পুলিশ দিয়ে এসব বন্ধ করা যাবে না। সমাজের মানসিকতা বদলাতে হবে। আজ ছাত্ররা যদি তাঁদের বান্ধবীকেই ধর্ষণ করে, তা হলে তার থেকে ভয়ঙ্কর আর কিছু হতে পারে না।”
এই ঘটনায় রাজনৈতিক তরজাও তুঙ্গে। তৃণমূল নেতার নাম যুক্ত করে সরাসরি শাসকদলকে কাঠগড়ায় তুলছে বিজেপি-সিপিএম।