Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
TB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তানসরকারি গাড়ির চালককে ছুটি দিয়ে রাইটার্স থেকে হাঁটা দিলেন মন্ত্রীছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কা

এসএসকেএমে নাবালিকা নির্যাতন মামলা: ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতে অভিযুক্ত রক্ষী

অভিযোগ, নিজেকে শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ পরিচয় দিয়ে ট্রমা কেয়ারের শৌচাগারে মেয়েটিকে নিয়ে যায় অমিত মল্লিক। সেখানেই চলে নির্যাতন। 

 এসএসকেএমে নাবালিকা নির্যাতন মামলা: ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতে অভিযুক্ত রক্ষী

নিজস্ব চিত্র।

সুমন বটব্যাল

শেষ আপডেট: 24 October 2025 16:14

দ্য ওয়াল ব্যুরো: এসএসকেএম হাসপাতালে নাবালিকা যৌন নির্যাতনের (SSKM minor abuse case) ঘটনায় অভিযুক্ত নিরাপত্তা কর্মী অমিত মল্লিককে আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতে (police custody) রাখার নির্দেশ দিলেন আলিপুরের বিশেষ পকসো আদালতের বিচারক। শুক্রবার বিকেলে কড়া নিরাপত্তার মধ্যেই অভিযুক্তকে বিশেষ আদালতে পেশ করে তদন্তকারী অফিসার। আদালতের নির্দেশে রুদ্ধদ্বার কক্ষে (in camera) শুনানি হয়।

বৃহস্পতিবার অভিযুক্তকে আলিপুর আদালতের ভারপ্রাপ্ত মুখ্য বিচার বিভাগীয় বিচারকের আদালতে তোলা হয়েছিল। সেদিন বিচারক এক দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ করেছিলেন। এরপর শুক্রবার বিশেষ পকসো আদালতে মামলার শুনানি হয়। আদালতে পুলিশের তরফে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে একাধিক তদন্তমূলক পদক্ষেপের আবেদন জানানো হয়।

সূত্রের খবর, পুলিশের পক্ষ থেকে আদালতে ‘মেডিকো-লিগ্যাল পরীক্ষা’, নির্যাতিতার মায়ের গোপন জবানবন্দি (Section 164 CrPC) গ্রহণ এবং ডিএনএ পরীক্ষার জন্য অভিযুক্ত ও নির্যাতিতার রক্তের নমুনা সংগ্রহের অনুমতি চাওয়া হয়। বিচারক সেই আবেদন মঞ্জুর করেছেন বলে আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে।

এ দিন বিকেলে শুনানির সময় আদালত কক্ষে প্রবেশ নিষিদ্ধ ছিল। বিচারক নির্দেশ দেন, “মামলার সংবেদনশীলতা বজায় রাখতে এবং নাবালিকার পরিচয় গোপন রাখতেই ইন-ক্যামেরা শুনানি জরুরি।”

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত অমিত মল্লিক এসএসকেএম হাসপাতালের একটি বিভাগে কর্মরত ছিলেন। পুলিশ সূত্রে খবর, বুধবার হাসপাতালের আউটডোরে ডাক্তার দেখাতে এসেছিল ওই নাবালিকা। আউটডোরের টিকিট করাতে গিয়েছিল তার মা। দাদুর সঙ্গে বসেছিল মেয়েটি। অভিযোগ, নিজেকে শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ পরিচয় দিয়ে ট্রমা কেয়ারের শৌচাগারে মেয়েটিকে নিয়ে যায় অমিত মল্লিক। সেখানেই চলে নির্যাতন। 

ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে হাসপাতাল প্রশাসন ও স্বাস্থ্য দফতর দু’টি পৃথক তদন্ত শুরু করেছে। পাশাপাশি, রাজ্য মহিলা কমিশনও বিষয়টি নিজস্বভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

পুলিশি সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্তকে জেরা করে ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। তদন্তকারীরা হাসপাতালের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ, মেডিকেল রেকর্ড ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মীদের বয়ান খতিয়ে দেখছেন।

এক তদন্তকারী আধিকারিকের কথায়, “অভিযুক্তের জেরা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মেডিকো-লিগ্যাল রিপোর্ট ও ডিএনএ পরীক্ষার ফলাফলের উপরই তদন্তের পরবর্তী ধাপ নির্ভর করবে।” আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, অমিত মল্লিককে ফের ৩১ অক্টোবর আদালতে পেশ করা হবে।


```