শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টের দেওয়া নির্দেশ মোতাবেক শনিবারই বিকাশ ভবনের সামনে থেকে সরছেন চাকরিহারারা। তবে তাঁরা এও জানিয়ে দিয়েছেন, অবস্থানের জায়গা বদল হচ্ছে কেবল, আন্দোলন একই ভাবে চলবে।

ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 24 May 2025 12:39
দ্য ওয়াল ব্যুরো: শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টের দেওয়া নির্দেশ মোতাবেক শনিবারই বিকাশ ভবনের সামনে থেকে সরছেন চাকরিহারারা। তবে তাঁরা এও জানিয়ে দিয়েছেন, অবস্থানের জায়গা বদল হচ্ছে কেবল, আন্দোলন একই ভাবে চলবে।
শুক্রবার হাইকোর্ট জানিয়েছে, 'যোগ্য' শিক্ষক-শিক্ষিকা অধিকার মঞ্চ ২০১৬-র সদস্যরা সেন্ট্রাল পার্কের সুইমিং পুল লাগোয়া অঞ্চলে অবস্থান বিক্ষোভ করতে পারবেন। পর্যায়ভিত্তিক ২০০ জন ব্যক্তি থাকতে পারবেন। সম্ভব হলে প্রশাসন অস্থায়ী তাঁবু বানিয়ে দেবে। তাছাড়া বায়ো টয়লেট, পানীয় জলের ব্যবস্থাও করতে হবে প্রশাসনকে।
শনিবার, অর্থাৎ আজ চাকরিহারাদের ধর্নার ১৮ দিন। এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে চাকরিহারা শিক্ষকরা জানান, তাঁদের ইস্যু এবার সংসদে তোলার ব্যাপারে সমস্ত সাংসদদের সমস্যার কথা জানিয়ে চিঠি দেবেন।
তাঁরা আরও জানিয়েছেন, সোমবারের মধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে কথা বলতে হবে। রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গেও আলোচনা করতে চান চাকরিহারারা। কোনও সদুত্তর না পেলে আবারও বৃহত্তর আন্দোলনে নামবেন বলেও হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছেন তাঁরা।
হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে শনিবার থেকেই বিকাশ ভবন চত্বর থেকে সরে যাচ্ছেন চকারিহারা 'যোগ্য' শিক্ষক-শিক্ষিকা-শিক্ষাকর্মীরা। তবে এ ব্যাপারেও তাঁদের বক্তব্য, নির্ধারিত স্থানে সঠিক পরিকাঠামো তৈরি না হওয়া পর্যন্ত বিকাশ ভবনের সামনেই তাঁরা অবস্থানে বসে থাকবেন।
বস্তুত, বিকাশ ভবনের সামনে অবস্থান-বিক্ষোভ করছেন চাকরিহারা শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মীরা। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে তাঁরা চাকরি হারিয়েছেন। ২০১৬ সালের এসএসসি নিয়োগপ্রক্রিয়ায় যোগ দিয়েছিলেন তাঁরা। গত বৃহস্পতিবার এই আন্দোলনস্থলে ধস্তাধস্তির পরিস্থিতি তৈরি হয়। আন্দোলনকারীদের উপর লাঠি চালানোর অভিযোগ ওঠে পুলিশকর্মীদের বিরুদ্ধে।
যদিও এডিজি দক্ষিণবঙ্গ সুপ্রতিম সরকার জানিয়ে দেন, পুলিশ যথেষ্ট ধৈর্য দেখিয়েছিল। আইনশৃঙ্খলা নষ্ট হয়েছে বলেই বাধ্য হয়ে পুলিশ পদক্ষেপ করে।