যে দুটি আবেদন তাঁদের তরফে করা হয়েছিল দুটিই খারিজ করে দিয়েছে শীর্ষ আদালত।

সুপ্রিম কোর্ট
শেষ আপডেট: 23 May 2025 15:46
দ্য ওয়াল ব্যুরো: চিহ্নিত 'অযোগ্য' শিক্ষকদের (Jobless Teachers) মামলা খারিজ করে দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। যে দুটি আবেদন তাঁদের তরফে করা হয়েছিল দুটিই খারিজ করে দিয়েছে শীর্ষ আদালত।
সিবিআই-এর (CBI) উদ্ধার করা ওএমআর শিটে (OMR Sheet) এক নম্বর এবং এসএসসি-র (SSC) কাছে এক নম্বর। এই যুক্তি দেখিয়ে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার আবেদন জানিয়েছিলেন চিহ্নিত 'অযোগ্য'রা। পাশাপাশি আবেদন ছিল এপ্রিল মাসের বেতন না আটকানোর। দুটি আবেদনই খারিজ করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের পর্যবেক্ষণ, মামলার শুনানির সময় তাঁরাও হাজির ছিলেন এবং নিজেদের অযোগ্য নয় বলে সওয়াল করেছিলেন। তাই যারা সংশয়ে ভুগতে চান, তাঁরা নতুন নতুন পথে সংশয়ে ভুগবেন।
নবম-দশম, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির চাকরিহারা শিক্ষকদের একাংশ নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যোগ দিতে চেয়ে শীর্ষ আদালতে আবেদন জানিয়েছিলেন। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট বলেছে, ওএমআরে কারচুপি থাকলে সেই শিক্ষকরা পরীক্ষাতেও বসতে পারবেন না, বেতনও পাবেন না। এক্ষেত্রে তাঁদের আবেদনে সাড়া দেওয়ার কোনও কারণ নেই বলেই মত শীর্ষ আদালতের।
চিহ্নিত এই 'অযোগ্য' চাকরিহারাদের জীবন-জীবিকা প্রসঙ্গে সওয়াল করেছিলেন তাঁদের আইনজীবী মুকুল রোহতগী। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট জানিয়েছে, যোগ্যদের শিক্ষকতার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। তবে এক্ষেত্রে সে সুযোগ মিলবে না। চিহ্নিত 'অযোগ্য'দের জোড়া মামলা খারিজ করে এমনটাই জানিয়েছে শীর্ষ আদালত। ফলত, শুক্রবার এই মামলায় বড় ধাক্কা খেলেন আবেদনকারীরা।
এসএসসি প্যানেল বাতিল মামলায় সুপ্রিম কোর্ট রায় দিয়ে জানিয়েছিল, যাঁরা ‘দাগি’ বা ‘অযোগ্য হিসাবে চিহ্নিত’, তাঁদের বেতন ফেরত দিতে হবে এবং তাঁরা নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় আর যোগ দিতে পারবেন না। কিন্তু এই জোড়া মামলা যারা করেছিলেন তাঁদের দাবি ছিল, এই তালিকায় তাঁরা পড়েন না কারণ তাঁরা সাদা খাতা জমা দিয়ে বা প্যানেল বহির্ভূত ভাবে চাকরি পাননি। শুধুমাত্র তাঁদের উত্তরপত্রে কারচুপির অভিযোগ রয়েছে।
শুক্রবার এই মামলার শুনানিতে অবশ্য শুরুতেই সুপ্রিম কোর্ট পরিষ্কার করে জানায়, ইতিমধ্যে যে রায় দেওয়া হয়েছে তাতে তাঁরা হস্তক্ষেপ করবে না। বিচারপতি সঞ্জয় কুমার এবং বিচারপতি কেভি বিশ্বনাথনের বেঞ্চের মত, রায় ঘোষণার পর আর যোগ্য-অযোগ্যের কথা বলে লাভ নেই। অন্যদিকে মামলাকারীদের আইনজীবী যে যুক্তি দিয়েছেন তার পাল্টা দিয়ে বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য, ফিরদৌস শামিমরা সওয়াল করেন, যাদের উত্তরপত্রে কারচুপি রয়েছে তাঁরাও অযোগ্যদের তালিকাতেই পড়েন।