পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) আগে শুক্রবার রাজ্যের এসআইআর (West Bengal SIR) মামলার শুনানিতে তথ্যগত অসঙ্গতি খতিয়ে দেখতে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিয়েছিল দেশের সর্বোচ্চ আদালত।

কলকাতা হাইকোর্ট
শেষ আপডেট: 21 February 2026 19:37
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) আগে শুক্রবার রাজ্যের এসআইআর (West Bengal SIR) মামলার শুনানিতে তথ্যগত অসঙ্গতি খতিয়ে দেখতে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিয়েছিল দেশের সর্বোচ্চ আদালত। জানানো হয়, এই যাচাইয়ের দায়িত্ব থাকবে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) নিযুক্ত অফিসারদের ওপর।
এই নির্দেশের প্রেক্ষিতে শনিবার কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) প্রধান বিচারপতির সঙ্গে বৈঠকে বসেন কমিশনের প্রতিনিধি, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক, মুখ্যসচিব ও অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল। কীভাবে দ্রুত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যায় এবং চলতি জটিলতা কাটানো সম্ভব, তা নিয়েই আলোচনা হয়।
সুপ্রিম কোর্টের কড়া নির্দেশের পরেই এদিন নজিরবিহীন পদক্ষেপ করল কলকাতা হাইকোর্ট। রাজ্যের জেলা ও দায়রা বিচারক থেকে শুরু করে বিশেষ সিবিআই আদালতের বিচারক— আগামী ৯ মার্চ পর্যন্ত কারও ছুটি মঞ্জুর করা হবে না। শুধু তাই নয়, যাঁরা বর্তমানে ছুটিতে রয়েছেন, তাঁদেরও দ্রুত কাজে ফেরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শনিবার হাইকোর্টের রেজিস্ট্রার (জুডিশিয়াল সার্ভিস)-এর পক্ষ থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এই কড়া বার্তার কথা জানানো হয়েছে।
কেন এই কড়াকড়ি?
হাইকোর্ট সূত্রের খবর, সুপ্রিম কোর্টের ২০ ফেব্রুয়ারির নির্দেশের পরিপ্রক্ষিতেই এই সিদ্ধান্ত। মূলত সাংসদ-বিধায়কদের বিরুদ্ধে চলা ফৌজদারি মামলা, পকসো (POCSO) আদালত এবং বাণিজ্যিক আদালতের বিচারপ্রক্রিয়া যাতে কোনওভাবেই ব্যাহত না হয়, তা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ। প্রধান বিচারপতির নির্দেশ অনুযায়ী, ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে ৯ মার্চ পর্যন্ত কোনও বিচার বিভাগীয় আধিকারিক স্টেশন লিভ বা কর্মস্থল ছেড়ে অন্য কোথাও যেতে পারবেন না। অত্যন্ত জরুরি চিকিৎসা সংক্রান্ত কারণ ছাড়া কোনও ছুটিই গ্রাহ্য হবে না।
নির্দেশিকায় যা বলা হয়েছে
চরম হুঁশিয়ারি
হাইকোর্টের বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, এই নির্দেশ পালনে কোনওরকম গাফিলতি বা অবহেলা দেখা দিলে তা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিচার করা হবে। অর্থাৎ, নির্দেশ অমান্য করলে বিভাগীয় ব্যবস্থার মুখে পড়তে পারেন সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরা। আইনি মহলের মতে, বকেয়া মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যেই শীর্ষ আদালতের নির্দেশে এই কড়া অবস্থান নিয়েছে হাইকোর্ট।