রেল যাত্রীদের জন্য সুখবর। অবশেষে পূর্ব রেলের উদ্যোগে রেজিনগর ও বেলডাঙা স্টেশনের মাঝে লেভেল ক্রসিং সংক্রান্ত সমস্যার অবসান ঘটল। দীর্ঘদিন ধরে এই লেভেল ক্রসিংকে কেন্দ্র করে সমস্যার কথা জানিয়ে আসছিল এখানকার পথযাত্রী থেকে রেলযাত্রীরা। এবার স্থায়ীভাবে এই লেভেল ক্রসিংটি বন্ধ করে সেখানে হাইট সাবওয়ে তৈরি করা হয়েছে। এর ফলে বহু প্রতীক্ষিত স্বস্তি মিলতে চলেছে যাত্রী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের

ছবিঃ দ্য ওয়াল
শেষ আপডেট: 10 February 2026 16:45
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রেল যাত্রীদের জন্য সুখবর। অবশেষে পূর্ব রেলের উদ্যোগে রেজিনগর ও বেলডাঙা স্টেশনের মাঝে লেভেল ক্রসিং সংক্রান্ত সমস্যার অবসান ঘটল। দীর্ঘদিন ধরে এই লেভেল ক্রসিংকে কেন্দ্র করে সমস্যার কথা জানিয়ে আসছিল এখানকার পথযাত্রী থেকে রেলযাত্রীরা। এবার স্থায়ীভাবে এই লেভেল ক্রসিংটি বন্ধ করে সেখানে লিমিটেড হাইট সাবওয়ে তৈরি করা হয়েছে। এর ফলে বহু প্রতীক্ষিত স্বস্তি মিলতে চলেছে যাত্রী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের।
এই লেভেল ক্রসিংয়ের কারণে এলাকায় যানজট তৈরি হচ্ছিল। রেলগেট বন্ধ থাকলেই রাস্তার দু’পাশে লম্বা যানবাহনের লাইন পড়ত। অফিসযাত্রী থেকে স্কুলপড়ুয়া, সকলকেই সময় নষ্ট করে অপেক্ষা করতে হত। শুধু যানজটই নয়, অনেক সময় তাড়াহুড়োর কারণে ঝুঁকি নিয়ে রেললাইন পারাপারের ঘটনাও ঘটত। ফলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছিল।

এই পরিস্থিতির পরিবর্তনের দাবিতে স্থানীয় মানুষ ও যাত্রীরা বারবার লিমিটেড হাইট সাবওয়ে নির্মাণের দাবি তুলেছিলেন। তবে রেজিনগর ও বেলডাঙা স্টেশনের মাঝের পরিস্থিতি এবং প্রযুক্তিগত জটিলতার কারণে প্রকল্প বাস্তবায়নে অনেকটাই দেরি হয়। এলাকায় উচ্চ ভূগর্ভস্থ জলস্তর এবং অন্যান্য নির্মাণ সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জের ফলে কাজ এগোনো সহজ ছিল না। তবুও সমস্ত প্রতিকূলতা অতিক্রম করে শেষমেশ সাবওয়ে নির্মাণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৫ সালের মার্চ মাসে সাবওয়ের মূল কাঠামোর কাজ শেষ হয়েছিল। পরবর্তী পর্যায়ে প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পূর্ণ করে সেটিকে চালুর উপযোগী করা হয়। এখন থেকে রেজিনগর ও বেলডাঙার মাঝের ১০৫ নম্বর লেভেল ক্রসিং আর ব্যবহার করা হবে না।
নতুন লিমিটেড হাইট সাবওয়ে চালু হওয়ায় এলাকায় যান চলাচল আরও স্বাভাবিক হবে বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি রেললাইন পারাপারের ঝুঁকিও অনেকটাই কমবে। রেল কর্তৃপক্ষের মতে, যাত্রী নিরাপত্তা ও জনসুবিধা নিশ্চিত করাই এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য ছিল। দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হওয়ায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও নিত্যযাত্রীরা।