এক বিবৃতিতে কলকাতা পুলিশের তরফে বলা হয়েছে, কিছু মহল থেকে ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল তথ্য প্রচার করা হচ্ছে। সেখানে দাবি করা হচ্ছে, জরুরি ভিত্তিতে ডোমিসাইল শংসাপত্র প্রদানের ক্ষেত্রে কলকাতা পুলিশ সক্রিয় ভূমিকা নিচ্ছে।

লালবাজার
শেষ আপডেট: 16 February 2026 04:28
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ডোমিসাইল সার্টিফিকেট (Domicile Certificate) ইস্যু নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। এমন অভিযোগ তুলে স্পষ্ট বার্তা দিল কলকাতা পুলিশ (Kolkata Police)। সোশ্যাল মিডিয়ায় (Social Media) ছড়িয়ে পড়া কিছু দাবিকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে উড়িয়ে দিয়ে পুলিশ জানাল, জরুরি ভিত্তিতে ডোমিসাইল সার্টিফিকেট দেওয়ার ক্ষেত্রে তাদের সরাসরি কোনও ভূমিকা নেই।
এক বিবৃতিতে কলকাতা পুলিশের তরফে বলা হয়েছে, কিছু মহল থেকে ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল তথ্য প্রচার করা হচ্ছে। সেখানে দাবি করা হচ্ছে, জরুরি ভিত্তিতে ডোমিসাইল শংসাপত্র প্রদানের ক্ষেত্রে কলকাতা পুলিশ সক্রিয় ভূমিকা নিচ্ছে। এ প্রসঙ্গে পুলিশ স্পষ্ট জানায়, নিয়ম অনুযায়ী তারা কেবল যাচাই-সংক্রান্ত তথ্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠায়। ডোমিসাইল সার্টিফিকেট ইস্যু করার ক্ষমতা বা প্রক্রিয়ার সঙ্গে কলকাতা পুলিশের কোনও সরাসরি যোগ নেই।
বিবৃতিতে আরও জানানো হয়েছে, কলকাতা পুলিশ কাউকে কোনও ডোমিসাইল শংসাপত্র দেয়নি। এই নিয়ে ভুয়ো প্রচার চালালে কড়া আইনি পদক্ষেপ করা হবে বলেও সতর্ক করেছে লালবাজার (Laal Bazar)। পুলিশের বক্তব্য, নাগরিকদের বিভ্রান্ত না হয়ে সরকারি নিয়মকানুন অনুযায়ী তথ্য যাচাই করে নেওয়া উচিত। ভুল তথ্য ছড়িয়ে অযথা আতঙ্ক বা বিভ্রান্তি তৈরি করার চেষ্টা বরদাস্ত করা হবে না।
স্থায়ী বাসিন্দা শংসাপত্র (Permanent Resident Certificate) ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধনে (Special Intensive Revision—SIR) বৈধ নথি হিসেবে গ্রহণযোগ্য বলে জানিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ECI)। এই মর্মে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালকে (CEO Manoj Agarwal) চিঠিও পাঠিয়েছে কমিশন (ECI)।
ওই চিঠিতে নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, ২০২৫ সালের ২৭ অক্টোবর জারি হওয়া এসআইআর (SIR West Bengal) সংক্রান্ত নির্দেশিকা অনুযায়ী স্থায়ী বাসিন্দা শংসাপত্র বৈধ যোগ্যতার নথির অন্তর্ভুক্ত। তবে সেই শংসাপত্র অবশ্যই পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নির্ধারিত নিয়ম মেনে এবং নির্দিষ্ট ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের দ্বারা ইস্যু হতে হবে।
চিঠিতে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে (West Bengal) ডোমিসাইল বা স্থায়ী বাসিন্দা শংসাপত্র ইস্যু করা হয় রাজ্য সরকারের ১৯৯৯ সালের ২ নভেম্বরের নির্দেশিকা এবং তার পরবর্তী সংশোধনী অনুযায়ী। সেই নিয়ম মেনে জেলা শাসক, অতিরিক্ত জেলাশাসক, মহকুমাশাসক অথবা কলকাতার ক্ষেত্রে (Kolkata) কালেক্টর— এই কর্তৃপক্ষের দ্বারা জারি শংসাপত্রই কেবল গ্রহণযোগ্য হবে। প্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫০ অনুযায়ী ভোটার তালিকা সংক্রান্ত দায়িত্বে থাকা ইআরও ও এআরও-দের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, কেবলমাত্র এই ধরনের বৈধ শংসাপত্রই গ্রহণ করতে।