শুক্রবার মাঝরাতে পর্ণশ্রীর এমজি সাহা রোডের ধর্মরাজ তলায় রুটিন পেট্রোলিং চলাকালীন একটি পার্কের পাশে দীপক সিং (৩৩)-কে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন পুলিশকর্মীরা। পরে ওই এলাকায় থেকেই উদ্ধার হয় মহেন্দর সিং (৫৫)-র নিথর দেহ।

প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 22 June 2025 13:47
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বেহালা পর্ণশ্রীতে গণপিটুনি। মৃত্যু হল এক ব্যক্তির। জখম আরও এক। তিনি এসএসকেএম-এ চিকিৎসাধীন। ঘটনার তদন্তে পর্ণশ্রী থানার পুলিশ। এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ ও জখম ওই ব্যক্তির বয়ানের ভিত্তিতে আটজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
শুক্রবার মাঝরাতে পর্ণশ্রীর এমজি সাহা রোডের ধর্মরাজ তলায় রুটিন পেট্রোলিং চলাকালীন একটি পার্কের পাশে দীপক সিং (৩৩)-কে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন কর্তব্যরত পুলিশকর্মীরা। দীপক সিং-এর কাছ থেকে প্রাথমিক তথ্য পাওয়ার পর পুলিশ তল্লাশি শুরু করে। কিছুক্ষণের মধ্যেই ৯, এমজি সাহা রোডের সামনে থেকে উদ্ধার হয় মহেন্দর সিং (৫৫)-র নিথর দেহ। তবে, ঘটনাস্থলে কোনও রক্তের চিহ্ন মেলেনি।
তাঁদের সেখান থেকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় বিদ্যাসাগর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে। চিকিৎসকরা মহেন্দরকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। পরে দীপককে এসএসকেএমে স্থানান্তর করা হয়। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, মহেন্দরকে অন্য কোথাও পেটানো হয়েছে এবং পরে ওই এলাকায় ফেলে দিয়ে যাওয়া হয়েছে।
পরে দীপক সিং-এর বয়ান অনুযায়ী, সঞ্জীব কর্মকার, বিশ্বজিৎ বিশ্বাস, চন্দন ঘোষ-সহ বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। তদন্তে উঠে আসে, দীপক এবং মহেন্দর সিং অভিযুক্তদের কাছে জাল সোনার গয়না বিক্রি করেছিলেন এবং বদলে টানা নিয়েছিলেন। যা উদ্ধার করেছে পুলিশ।
প্রতারণার বিষয়টি টের পেয়ে অভিযুক্তরা দুই ব্যক্তিকে বিশ্বজিৎ বিশ্বাসের নির্মাণাধীন একটি ভবনে ডেকে পাঠায়। অভিযোগ, সেখানেই শুরু হয় মারধর। বেধড়ক মার খেয়ে মৃত্যু হয় মহেন্দর সিং-এর, গুরুতর জখম হন দীপক। ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ। এই ঘটনার সঙ্গে আর কারা যুক্ত তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ওই সোনার জিনিসগুলো আদৌ নকল না আসল তাও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।