সজল ঘোষের অভিযোগ, থিম ঘোষণার দুদিনের মধ্যেই তাঁদের পুলিশের তরফে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

সজল ঘোষ
শেষ আপডেট: 18 June 2025 12:41
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আর মাত্র আড়াই মাস। তারপরই বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব। ইতিমধ্যে একাধিক বড় বড় পুজো কমিটি প্যান্ডেল তৈরির কাজ শুরু করে দিয়েছে। তালিকায় রয়েছে সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারও (Santosh Mitra Square)। তবে গত বছরের মতো এবারও তাঁদের তরফে পুলিশের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হল। সোশ্যাল মিডিয়ায় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এই পুজো কমিটির অন্যতম প্রধান কর্মকর্তা তথা বিজেপি নেতা সজল ঘোষ (Sajal Ghosh)।
গত রবিবার এবছরের দুর্গাপুজোর থিম (Durga Puja Theme) ঘোষণা করেছে সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার পুজো কমিটি। কিন্তু সজল ঘোষের অভিযোগ, থিম ঘোষণার দুদিনের মধ্যেই তাঁদের পুলিশের তরফে চিঠি (Kolkata Police Letter) পাঠানো হয়েছে। পুজো কমিটিকে একাধিক বিষয়ে সতর্ক করে নিয়ম মানতে বলা হয়েছে। নাহলে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এই নির্দেশিকা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন বিজেপি নেতা।
''আমি জানতে চাই আর কটা পুজো কমিটিকে সারা পশ্চিমবঙ্গে এই চিঠি পাঠানো হয়েছে? নিশ্চিত, কাউকে নয়। তাহলে তারা কি সবাই আইনের উর্ধ্বে, নাকি আমাদের জন্য আলাদা আইন?'' এমনই প্রশ্ন তুলে সজলের বক্তব্য, সব অন্যায়ের বিচার খুব শীঘ্রই হবে। প্রসঙ্গত, গত বছরও এমন চিঠি সজলের পুজো কমিটিকে পাঠানো হয়েছিল। সেই একই ধাঁচে এবারেও চিঠি পাঠিয়েছে কলকাতা পুলিশ।
বিজেপি নেতা সজল ঘোষ এই চিঠিকে পুলিশের 'প্রেমপত্র' বলে কটাক্ষ করেছেন। এই প্রসঙ্গে তিনি আরজি কর আন্দোলনে চিকিৎসদের হাতে থাকা প্রতীকী মেরুদণ্ডের কথাও টেনে আনেন। তাঁর খোঁচা, ''বোঝাই যাচ্ছে, ডাক্তারদের দেওয়া শিরদাঁড়াটা খুব একটা ভাল কোয়ালিটির ছিল না।'' কিন্তু পুলিশের চিঠিতে ঠিক কী বলা হয়েছে?
পুলিশ সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার পুজো কমিটিকে বলেছে, গত পুজোকে কেন্দ্র করে পদপিষ্টের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। ওই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে পদক্ষেপ করতে হবে। পুজো মণ্ডপে প্রবেশ ও বাহিরের পথ চওড়া করতে হবে। পুলিশের নজরদারির জন্য মন্ডপের ভেতরেও নির্দিষ্ট জায়গা তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কোনও লেজার/লাইট/সাউন্ড শো করার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, মন্ডপে প্রবেশ ও বাহিরের পথে কোথাও যেন কোনও স্টল না রাখা হয়, তাও নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে উদ্যোক্তাদের। একই সঙ্গে, সিসিটিভি ক্যামেরার সংখ্যা বাড়াতেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভিড় সামলাতে পিক আওয়ারে কমপক্ষে ২৫০ জন স্বেচ্ছাসেবক এবং কম সময়ে ১০০ জন স্বেচ্ছাসেবক রাখার কথা বলা হয়েছে।