Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
‘কোভিড ভ্যাকসিনই হার্ট অ্যাটাকের কারণ!’ শেন ওয়ার্নের মৃত্যু নিয়ে ছেলের মন্তব্যে নতুন বিতর্ক এবার রক্তদান শিবিরেও কমিশনের ‘নজরদারি’! রক্তের আকাল হলে কী হবে রোগীদের? প্রশ্ন তুললেন কুণালমারাঠি না জানলে বাতিল হবে অটো-ট্যাক্সির লাইসেন্স! ১ মে থেকে কড়া নিয়ম মহারাষ্ট্রেআশা ভোঁসলেকে শ্রদ্ধা জানাতে স্থগিত কনসার্ট, গায়িকার নামে হাসপাতাল গড়ার উদ্যোগউৎসবের ভিড়ে হারানো প্রেম, ট্রেলারেই মন কাড়ছে ‘উৎসবের রাত্রি’‘বাংলাকে না ভেঙেই গোর্খা সমস্যার সমাধান’, পাহাড় ও সমতলের মন জিততে উন্নয়নের ডালি শাহেরথাকবে না লাল কার্ড, খেলা ৫০ মিনিটের! ফুটবলকে আরও জনপ্রিয় করতে ছকভাঙা প্রস্তাব নাপোলি-প্রধানেরনতুন সূর্যোদয়! নীতীশের ছেড়ে যাওয়া মসনদে সম্রাট চৌধুরী, প্রথম বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী পেল বিহারমাত্র ৫০০ টাকার পরীক্ষা বাঁচাবে কয়েক লাখের খরচ, কেন নিয়মিত লিভারের চেকআপ জরুরি?অভিষেক ও তাঁর স্ত্রীর গাড়িতে তল্লাশির নির্দেশ! কমিশনের ‘হোয়াটসঅ্যাপ নির্দেশ’ দেখাল তৃণমূল

'যকের ধনের মতো আটকে রাখলে...', পরপর বিপজ্জনক বাড়ি ভাঙা ইস্যুতে কী বললেন মেয়র

দেখা যাচ্ছে, বহু বাসিন্দা বাড়ি ছাড়তে নারাজ। আসলে অনেকে আশঙ্কা করছেন, একবার বেরিয়ে এলে ভবিষ্যতে সেই জায়গায় তাঁদের আর জায়গা হবে না। 

'যকের ধনের মতো আটকে রাখলে...', পরপর বিপজ্জনক বাড়ি ভাঙা ইস্যুতে কী বললেন মেয়র

ফিরহাদ হাকিম

সৌভিক বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: 2 August 2025 16:48

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কলকাতার একাধিক পুরনো বাড়ি পরপর ভেঙে পড়েছে (Building Collapse)। এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে জনমানসে। কারণ এখনও বহু বিপজ্জনক বাড়ির অস্তিত্ব রয়েছে শহরে (Kolkata)। কিন্তু বিষয় হল, সেগুলির সংরক্ষণ তো দূরের কথা, ভেঙে ফেলা বা সংস্কার করাও সম্ভব হচ্ছে না। কেন, এই নিয়ে মুখ খুলেছেন কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim)।

মালিক-ভাড়াটে কিংবা শরিকদের মধ্যে গন্ডগোলই মূল কারণ, বাড়ি না ভাঙতে পারার! সাফ বক্তব্য মেয়রের। তাঁর কথায়, এর ফলেই মৃত্যুফাঁদে পরিণত হওয়া বহু বাড়িতেই এখনও বাস করছেন বহু মানুষ। ফিরহাদের কথায়, ''বাড়ি ভেঙে পড়ে যাচ্ছে, এদিকে তাকে যখের ধনের মত আটকে রাখা হচ্ছে, এই সমস্যা রয়েছে কলকাতায়। আমি তো জোর করতে পারি না। সংবিধান আমাকে সেই অধিকার দেয়নি।''  

এ প্রসঙ্গে কলকাতা পুরসভার (KMC) তরফে জানানো হয়েছে, পুরসভা 'অকুপেন্সি সার্টিফিকেট' দিয়ে দায়বদ্ধতা নির্ধারণ করছে যাতে বিপজ্জনক বাড়িতে থাকা ব্যক্তিরা জানেন যে তাঁরা ঝুঁকি নিয়ে রয়েছেন। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, বহু বাসিন্দা বাড়ি ছাড়তে নারাজ। আসলে অনেকে আশঙ্কা করছেন, একবার বেরিয়ে এলে ভবিষ্যতে সেই জায়গায় তাঁদের আর জায়গা হবে না। সেই ভয়েই নিজের দায়িত্বে বসবাস করছেন এই সব বাড়িতে।

পুর প্রশাসনের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, সংবিধান তাঁদের জোর করে কাউকে উচ্ছেদ করার অধিকার দেয়নি। পুরসভার মেয়র বলেছেন, "আমি আপনাকে অনুরোধ করতে পারি, কিছু সুবিধা দিতে পারি, কিন্তু আপনার ব্যক্তিগত সম্পত্তি জোর করে দখলমুক্ত করতে পারি না।"

কলকাতায় এমন বিপজ্জনক বাড়ির সংখ্যা বহু। কোনও বাড়ি হেলে পড়েছে পাশের রাস্তার দিকে, কোথাও ছাদ ভেঙে পড়ার ভয়। তবু তেমন কিছু ঘটলেই দায় কার? সেই প্রশ্নের উত্তর এখনই মিলছে না। প্রশাসনের তরফে শুধু বারবার আবেদন জানানো হয়েছে — বিপজ্জনক বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র সরে যান, নয়তো জীবন নিয়ে ঝুঁকি থাকছেই।


```