বন্ডেল রোডের মেডিক্যাল ফ্যাক্টরিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। গোটা এলাকা ঢেকে গিয়েছে কালো ধোঁয়ায়। আতঙ্কে বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েছেন স্থানীয়রা।
.jpg.webp)
শেষ আপডেট: 2 August 2025 17:20
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ফের অগ্নিকাণ্ড শহর কলকাতায়। বন্ডেল রোডের দে'জ মেডিক্যাল ফ্যাক্টরিতে (Dey's Medical Factory) ভয়াবহ আগুন (Kolkata Fire Incident)। গোটা এলাকা ঢেকে গিয়েছে কালো ধোঁয়ায়। আতঙ্কে বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েছেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দমকলের একাধিক ইঞ্জিন। আগুনের তীব্রতা এতটাই বেশি যে দমকলকর্মীরা এখনও আগুনের উৎসস্থলের কাছে পৌছাতে পারেননি। এখনও হতাহতের কোনও খবর পাওয়া যায়নি।
শনিবার দুপুর তিনটে নাগাদ এই আগুন লাগার ঘটনাটি ঘটেছে। স্থানীয়দের কয়েকজন প্রথমে ওষুধের কারখানা থেকে কালো ধোঁয়া বেরোতে দেখেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই আগুনের ফুলকিও দেখা যায়। এরপর দাউদাউ করে আগুন জ্বলতে শুরু করে। মুহূর্তে গোটা এলাকা কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। প্রথমে চারটি দমকলের ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। এই মুহূর্তে ১০টি ইঞ্জিন সেখানে রয়েছে। তবে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করা যায়নি। কারণ, আগুনের তেজে কারখানার কাছেই যেতে পারছেন না দমকলকর্মীরা।
এদিন কারখানায় বেশ কয়েকজন শ্রমিক কাজ করছিলেন। আগুন দেখে তাঁরা দ্রুত বাইরে বেরিয়ে আসেন। এখন ভিতরে কেউ আছে কি না তা পরিষ্কার নয়। যদিও কারখানা কর্তৃপক্ষের দাবি, তিন চারজন শ্রমিক ভিতরে ছিলেন, তাঁরা প্রত্যেকেই সুরক্ষিত আছেন।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন স্থানীয় কাউন্সিলর। তিনি বলেন, 'পুরনো বিল্ডিং এবং গলি সরু হওয়ায় দমকলের গাড়ি ভিতরে ঢুকতে পারছিল না। তবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করা হয়েছে। দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হবে।'
আতঙ্কে বাড়ির বাইরে চলে এসেছেন স্থানীয় বাসিন্দারাও। ঘটনাস্থলের আশেপাশের বাড়িগুলি খালি করা হয়েছে। বয়স্ক বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। স্থানীয়দের কথায়, কালো ধোঁয়ায় চোখ জ্বালা, শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যা হচ্ছে। এছাড়া, দমকলের বিরুদ্ধেও দেরিতে আসার অভিযোগ তুলেছেন তাঁরা।
কী কারণে আগুন লেগেছে তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে প্রাথমিক অনুমান, শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লাগতে পারে। এছাড়া, কারখানায় প্রচুর রাসায়নিক মজুত রয়েছে। ফলে আগুন বেড়ে যাচ্ছে এবং ধোঁয়ার পরিমাণ বাড়ছে। কলকাতা পুলিশের বিপর্যয় মোকাবিলা কর্মীদের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। দমকল কর্মীরা মই দিয়ে কারখানার একটি অংশের ছাদে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। ঠিক কোন জায়গায় আগুন লেগেছে তা এখনও স্পষ্ট হয়নি।