এই বইমেলায় ১০ লক্ষেরও বেশি নতুন এবং পুরনো বই রাখা হয়, যা ২০টিরও বেশি জনপ্রিয় বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে সাজানো হয়। ছোটদের বই থেকে প্রাপ্তবয়স্কদের উপন্যাস, রহস্য, রোম্যান্স , ক্লাসিক এবং নন-ফিকশন—সব ধরনের পাঠকের জন্যই রয়েছে বিশাল সংগ্রহ।

ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 25 May 2025 18:28
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বইপ্রেমীদের জন্য বিশেষ উপহার নিয়ে হাজির হয়েছে অ্যাক্রোপলিস মল। ২১ মে থেকে এখানে শুরু হয়েছে পাঁচ দিনের বইমেলা, যা শেষ হচ্ছে আজ অর্থাৎ রবিবার। সকাল ১১টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত চলছে। আয়োজক সংস্থা 'কিতাব লাভার্স' তাদের জনপ্রিয় অফার 'লোড দ্য বক্স' নিয়ে এই বইমেলায় হাজির হয়েছে এবার। আর এর টানেই প্রতিদিন অ্যাক্রোপলিসের গ্রাউন্ড ফ্লোরে ভিড় জমাচ্ছেন বহু মানুষ।
কী এই 'লোড দ্য বক্স' অফার? বইপ্রেমীরা নির্দিষ্ট মূল্যে একটি বাক্স কিনে, সেই বাক্সে নিজেদের পছন্দমতো যতগুলি খুশি বই ভরতে পারবেন। বন্ধ হওয়া পর্যন্ত বই ভরা যাবে।
তিনটি সাইজের বাক্স রয়েছে। যে যেমন বাক্স বেছে নেবেন, তাঁকে সেই বাক্স অনুযায়ী ধার্য অর্থ দিতে হবে।
মানি সেভার বক্স (১,২০০ টাকা): যেখানে ছোট ও পাতলা প্রায় ১০-১৩টি বই ধরে যাবে
ওয়েলথ বক্স (২,২০০ টাকা): ১৭-২০টা বই ধরবে কম-বেশি
আর ট্রেজার বক্স (৩,০০০ টাকা): কম-বেশি ৩০-৩৩টা বই ধরে যাবে।
এই বইমেলায় ১০ লক্ষেরও বেশি নতুন এবং পুরনো বই রাখা হয়, যা ২০টিরও বেশি জনপ্রিয় বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে সাজানো হয়। ছোটদের বই থেকে প্রাপ্তবয়স্কদের উপন্যাস, রহস্য, রোম্যান্স , ক্লাসিক এবং নন-ফিকশন—সব ধরনের পাঠকের জন্যই রয়েছে বিশাল সংগ্রহ। বইমেলা সাজানো হয়েছে লাইব্রেরির মতো ছিমছাম ভঙ্গিতে, যাতে সকলে নিজের মতো করে বই বেছে নিতে পারেন।
'কিতাব লাভার্স'-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা আর.কে. শঙ্কর এনিয়ে বলেন, 'এটি আমাদের একাদশ কলকাতা বইমেলা এবং অ্যাক্রোপলিস মলের সঙ্গে দ্বিতীয় বার এই উদ্যোগ। 'লোড দ্য বক্স' ধারণাটি কলকাতায় দারুণ সাড়া ফেলল। কলকাতা এমন এক শহর, যেখানে সব বয়সের মানুষ বই পড়েন। আমরা এই শহরে ফিরে আসতে পেরে গর্বিত এবং কৃতজ্ঞ। অ্যাক্রোপলিস মলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। আশা করি ভবিষ্যতেও এই সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।'
মার্লিন গ্রুপের কর্পোরেট জেনারেল ম্যানেজার (হসপিটালিটি অ্যান্ড মল) শুভদীপ বসু বলেন, 'অ্যাক্রোপলিস মলে আমরা সব সময় এমন অনুষ্ঠান আয়োজন করতে চাই, যা গ্রাহকদের কাছে নতুন কিছু নিয়ে আসে। বর্তমানে শিশু থেকে কিশোরক, সবাই ভার্চুয়াল জগতে ব্যস্ত। সেখানে এই বইমেলা মনোযোগ, কল্পনা এবং অধ্যয়নের অভ্যাস গড়ে তুলতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।'