আমেরিকার মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি ঘোষণা হলেও সীমান্তে উত্তেজনার পারদ এখনও বিদ্যমান। এমন পরিস্থিতিতে সোমবার বিকেলে একটি গণ সংগঠনের তরফে কলকাতা শহরে 'যুদ্ধ উন্মাদনা বিরোধী' গণ মিছিলের ডাক দেওয়া হয়েছিল (Anti-war rally in Moulali)।

মৌলালিতে উত্তেজনা। নিজস্ব চিত্র।
শেষ আপডেট: 12 May 2025 16:38
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আমেরিকার মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি ঘোষণা হলেও সীমান্তে উত্তেজনার পারদ এখনও বিদ্যমান। এমন পরিস্থিতিতে সোমবার বিকেলে একটি গণ সংগঠনের তরফে কলকাতা শহরে 'যুদ্ধ উন্মাদনা বিরোধী' গণ মিছিলের ডাক দেওয়া হয়েছিল (Anti-war rally in Moulali)।
অভিযোগ, মিছিল শুরুর কিছু পরেই সেখানে উপস্থিত হয়ে কালি ছেটায় বিজেপির কিছু কর্মী, সমর্থক। তাঁদের নেতৃত্বে ছিলেন বিজেপি নেতা সজল ঘোষ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এদিন বিকেলে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে কলকাতার মৌলালি এলাকায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ দু'পক্ষকেই আটক করেছে।
এদিন কলকাতার মৌলালি মোড় থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত একটি গণ সংগঠনের তরফে 'যুদ্ধ উন্মাদনা বিরোধীট গণ মিছিলে ডাক দেওয়া হয়েছিল। মিছিলে উপস্থিত মানুষজন নিজেদেরকে শুভ বুদ্ধি সম্পন্ন ও ধর্মনিরপেক্ষ মানুষ হিসেবে দাবি করে যুদ্ধের তীব্র বিরোধিতা করেন। তাঁদের কথায়, যুদ্ধর মাধ্য়মে কোনও সমস্যার সমাধান হতে পারে না। বরং এর মধ্যে দিয়ে দু'দেশের বহু প্রাণহানির ঘটনা ঘটবে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মিছিল শুরুর পরই দেশের জাতীয় পতাকা নিয়ে সেখানে হাজির হন বিজেপির একাংশ নেতা, কর্মী। তাঁরা মিছিলে অংশ নেওয়া লোকজনকে রাষ্ট্রদ্রোহী আখ্যা দিতে থাকেন। অভিযোগ, উদ্যোক্তাদের গায়ে কালিও ছেটানো হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়।
মিছিলকে কেন্দ্র করে আগে থেকেই সংশ্লিষ্ট এলাকায় বিশাল পুলিশ বাহিনী উপস্থিত ছিল। ফলে গোলমাল বড় আকারের ধারণ করার আগেই প্রথমে বিজেপি নেতা, কর্মীদের আটক করে পুলিশ। পরে উত্তেজনার কারণে মিছিলের লোকজনকেও আটক করা হয়। প্রিজন ভ্যানে বসে বিজেপি নেতা সজ ঘোষের অভিযোগ, "বাংলার মধ্যেই বহু পাকিস্তানি প্রেমী রয়েছেন। যাঁরা ভারতের ভাল চান না। এদেরকে চিহ্নিত করা জরুরি।" পুলিশ জানিয়েছে, পরিস্থিতি এই মুহূর্তে নিয়ন্ত্রণে।