পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে বাজারে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস পত্রের দাম উর্ধ্বমুখীর আশঙ্কাও রয়েছে। তা ঠেকাতে গত বৃহস্পতিবারই নবান্নের সাংবাদিক বৈঠক থেকে ব্যবসায়ীদের সতর্ক করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।

কালোবাজারি ঠেকাতে মার্কেটে টাস্ক ফোর্সের অভিযান।
শেষ আপডেট: 12 May 2025 15:17
দ্য ওয়াল ব্যুরো: যুদ্ধ বিরতির ঘোষণা হলেও সীমান্তে উত্তেজনা পুরোপুরি কমেনি। চোরা গোপ্তা গোলাগুলির খবর মিলছে। আর এই পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে বাজারে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস পত্রের দাম উর্ধ্বমুখীর আশঙ্কাও রয়েছে। তা ঠেকাতে গত বৃহস্পতিবারই নবান্নের সাংবাদিক বৈঠক থেকে ব্যবসায়ীদের সতর্ক করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। সাফ জানিয়েছিলেন, 'কেউ কালোবাজারি করলে সংশ্লিষ্ট দোকানদারের সমস্ত মাল বাজেয়াপ্ত করা হবে।'
মুখ্যমন্ত্রীর সেই নির্দেশ শুক্রবার থেকেই কলকাতা থেকে জেলা, বিভিন্ন বাজারে তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছেন টাস্ক ফোর্সের (Task force In Market) সদস্যদের। সোমবারও তার অন্যথা হল না। এদিন উল্টোডাঙার খুচরো এবং পাইকারি মার্কেট ঘুরে দেখলেন এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চের টাস্ক ফোর্সের সদস্যরা।মাছ থেকে শাক, সবজি, বাজার ঘুরে তাঁরা জিনিস পত্রের দাম খতিয়ে দেখেন। কথা বলেন ক্রেতাদের সঙ্গেও।
এদিন উল্টোডাঙার বাজারে সবজি দর যথাক্রমে আলু কেজি প্রতি ২০ থেকে ২৫ টাকা, পিঁয়াজ ২৫-৩০ টাকা, রসুন ১০০ টাকা, আদা ১০০ টাকা, টমেটো ৩০ টাকা, পটল ২০ টাকা, বেগুন ৮০ টাকা, উচ্ছে ৬০ টাকা, ঢেড়স ৫০ টাকা, রুই মাছ ১৫০ টাকা, কাতলা মাছ ২০০ টাকা, ইলিশ মাছ ৮০০ থেকে ১২০০ টাকা, গলদা চিংড়ি ১২০০ থেকে ১৪০০ টাকা। মুরগির ডিম ৬ টাকা, হাঁসের ডিম ১২ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে।
টাস্ক ফোর্সের আধিকারিক রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বলেন, "পাইকারি বাজারে জিনিস পত্রের দাম ঠিকই আছে। ক্রেতারাও কেউ কোনও অভিযোগ জানাননি।"
তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ মেনে এখন থেকে কলকাতা ও জেলার প্রতিটি বাজারে প্রতিদিনই টাস্ক ফোর্সের সদস্যরা নজরদারি চালাচ্ছেন। উদ্দেশ্য একটাই, এই যুদ্ধ যুদ্ধ আবহে কোনও অসাধু চক্র যেন মাথা চাড়া দিয়ে না ওঠে। মানুষের কাছ থেকে অতিরিক্ত দাম যেন না নিতে পারে সেটা নজর রাখা।
টাস্ক ফোর্সের এমন ভূমিকায় খুশি ক্রেতারাও। তাঁরা বলছেন, প্রশাসনিকভাবে প্রতিটি বাজারে নজরদারি চালানো হচ্ছে বলেই দাম নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তা না হলে যুদ্ধের ধোওয়া দিয়ে দাম কিছুটা হলেও বেড়ে যেত!