অভিযুক্তর বাবা জানিয়েছেন, 'আমার ছেলে যদি সত্যিই অপরাধী হয়, তবে তার কঠোর শাস্তি হওয়া উচিত।' ইতিমধ্যেই মৃতদেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে নরেন্দ্রপুর থানায়।

ছবি- এআই
শেষ আপডেট: 21 August 2025 17:06
দ্য ওয়াল ব্যুরো: একাদশ শ্রেণির ছাত্রীর মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Pargana) নরেন্দ্রপুর থানা এলাকার চরকলতা গ্রামে। স্থানীয়দের দাবি, বন্ধ ঘরে মৃতদেহের পাশেই বসেছিল 'প্রেমিক' কৃশ দাস। তার বিরুদ্ধেই খুনের অভিযোগ এনেছে পরিবার।
জানা গেছে, মৃতার নাম সায়ন্তিকা মণ্ডল (১৭)। বুধবার বিকেলে তাঁর ঘর থেকেই মৃতদেহ উদ্ধার হয়। অভিযুক্ত কৃশ দাস একই এলাকার বাসিন্দা। স্থানীয়দের দাবি, ঘটনার সময় সায়ন্তিকার ঘরে উপস্থিত ছিল কৃ্শ দাস। এক মহিলা প্রতিবেশী জানলা দিয়ে প্রথমে মেয়েটিকে খাটে শুয়ে থাকতে দেখে, তার পাশেই বসেছিল ওই যুবক। দ্রুত মেয়েটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, সেখানে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এদিকে তারপর থেকেই পলাতক অভিযুক্ত।
মৃতার পরিবারের দাবি, ঘটনার কিছুক্ষণ আগে সে নিজের মাকে মেসেজ করে সব সোশ্যাল মিডিয়া ও ফোনের পাসওয়ার্ড দিয়ে যায়। তখন বাড়িতে কেউ ছিল না, বাবা-মা কাজে আর বোন টিউশনে গিয়েছিল।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, কৃ্শ আগেও একাধিকবার তরুণী-মহিলাদের সঙ্গে অশালীন আচরণ করেছে। মহিলাদের সামনে আপত্তিকর কাজ করার মতো ঘটনায় তার বিরুদ্ধে রীতিমতো ক্ষোভ তৈরি হয়েছিল। বারবার অভিযোগ জানানো হলেও তার পরিবারের পক্ষ থেকে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
অভিযুক্তর বাবা জানিয়েছেন, 'আমার ছেলে যদি সত্যিই অপরাধী হয়, তবে তার কঠোর শাস্তি হওয়া উচিত।' ইতিমধ্যেই মৃতদেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে নরেন্দ্রপুর থানায়। পুলিশ সূত্রে খবর, কৃ্শকে খুঁজে বের করতে অভিযান চলছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট থেকেই মৃত্যুর কারণ জানা যাবে, এরপরই তদন্ত এগানো হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।