কসবাকাণ্ডের জেরে রাজ্যের সব কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টুডেন্টস ইউনিয়ন রুম বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

গ্রাফিক্স-দ্য ওয়াল।
শেষ আপডেট: 3 July 2025 16:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কসবায় (Kasba Case) আইন কলেজের ইউনিয়ন রুমে (Union Room) ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে দায়ের হওয়া মামলায় বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court) জানিয়ে দিয়েছে, সব কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ইউনিয়ন রুম বন্ধ করতে হবে। এ ব্যাপারে রাজ্যের উচ্চ শিক্ষা দফতরকে অবিলম্বে নোটিস জারি করারও নির্দেশ দিয়েছে বিচারপতি সৌমেন সেন ও বিচারপতি স্মিতা দে-র ডিভিশন বেঞ্চ।
আদালতের এই রায় ঘিরে জোর শোরগোল তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। তবে আদালতের এই রায়ে কলেজের ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে কোনও প্রভাব পড়বে না বলেই মনে করেন টিএমসিপির রাজ্য সভাপতি তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য (Trinankur Bhattacharya)।
এ ব্যাপারে দ্য ওয়ালের তরফে যোগাযোগ করা হলে টেলিফোনে তৃণাঙ্কুর বলেন, "আমি এখনও আদালতের নির্দেশ পড়িনি, তবে আমার ব্যক্তিগত ভাবে মনে হয়, ইউনিয়ন রুমটা কোনও রাজনৈতিক দলের নয়, সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের। বিভিন্ন সমস্যার সমাধান হয় সেখানে। একটা কলেজে ঘটেছে মানে গোটা রাজ্যের প্রতিটি ইউনিউন রুমে হচ্ছে তা ঠিক নয়।"
আগামী ৭ জুলাই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। তৃণাঙ্কুরের আশা, আশাকরি সেদিন আদালত এমন কোনও সিদ্ধান্ত নেবে না যা ছাত্র বিরোধী হয়।
গত ২৫ জুন কসবার আইন কলেজের ইউনিয়ন রুমে এক ছাত্রীকে আটকে রেখে গণধর্ষণ করার অভিযোগ ওঠে। সেই সূত্রে এই অভিযোগও সামনে আসে যে রাজ্যের একাধিক কলেজের ইউনিয়নরুমে বহিরাগতদের আড্ডা এবং অসামাজিক কার্যকলাপ হচ্ছে।এ ব্যাপারে আইনজীবী সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাইকোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিলেন। ওই মামলাতেই এদিন আদালত জানিয়েছে, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত কোথাও ইউনিয়ন রুম খোলা যাবে না।
এ প্রসঙ্গে তৃণাঙ্কুরের প্রতিক্রিয়া, "আদালতের এই রায়ে কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে কোনও প্রভাব পড়বে না। কারণ, ছাত্রছাত্রীরা আমাদের সঙ্গে আছে, ইউনিয়ন রুম খোলা থাকল কিনা, তাতে কিছু যায় আসে না।"