কোন্নগরের কানাইপুরে বুধবার সন্ধ্যায় দুষ্কৃতী হামলায় গুরুতর আহত হয়েছিলেন তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য পিন্টু চক্রবর্তী ওরফে মুন্না। অফিস থেকে বাড়ি ফেরার পথে তাঁর উপর ধারাল অস্ত্র নিয়ে চড়াও হয় একদল দুষ্কৃতী।

ঘটনাস্থল ঘিরে রেখেছে পুলিশ
শেষ আপডেট: 31 July 2025 13:07
দ্য ওয়াল ব্যুরো, হুগলি: আততায়ীরা রেইকি করেছিল! কখন অফিসে আসেন,কখন বেরিয়ে যান পিন্টু চক্রবর্তী। সেই মতোই আগে থেকে কানাইপুর নৈটি রোডের পাশে অটো স্ট্যান্ডে অপেক্ষা করছিল। বুধবার সন্ধ্যায় গ্যাসের অফিস থেকে বেরোনোর সময় দুই আততায়ী ধারালো অস্ত্র নিয়ে আক্রমণ করে পিন্টুবাবুকে। তাঁর কব্জি থেকে হাত কেটে দেয়। অস্ত্রের কোপে ফালাফালা করে দেয় মাথা।
ঘটনার আকস্মিকতায় হকচকিয়ে যান স্থানীয় মানুষজন। সেই সুযোগে পায়ে হেঁটে ঘটনাস্থল ছাড়ে দুষ্কৃতীরা। গ্যাসের অফিসের সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পরে সেই ছবি। পুলিশ সেই ফুটেজ দেখে দুষ্কৃতীদের খোঁজ শুরু করে। ঘটনার পরই চন্দননগর পুলিশের ডিসিপি শ্রীরামপুর অর্ণব বিশ্বাস, পুলিশ কমিশনার অমিত পি জাভালগি সহ চন্দননগর পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন।
পিন্টুবাবুর পরিচিত ও রাজনৈতিক সহকর্মীদের দাবি, এই তৃণমূল নেতা প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী ছিলেন। খুবই সজ্জন মানুষ হিসেবে পরিচিত। তাঁর শত্রু থাকার কথা নয়। তাঁর দোকানে ১৪ হাজার গ্রাহক আছেন। কানাইপুরের কেউ কোনও অসুবিধায় পড়লে নানা ভাবে সাহায্য করতেন। এই তৃণমূল নেতা জমি কেনাবেচার কারবার করতেন বলেও সূত্রের খবর।কেন এত নৃশংসভাবে তাকে খুন হতে হল? রাজনৈতিক কারণ নাকি ব্যক্তিগত শত্রুতা, এটাই ভাবাচ্ছে পুলিশকে।
কানাইপুরে পরিবহণ মন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তীর বাড়ি। পিন্টুবাবুর বাড়িও কানাইপুর পুলিশ ফাঁড়ির খুব কাছে। এই এলাকায় অপরাধ করে নৈটি রোড দিয়ে খুব সহজে দিল্লি রোডে যাওয়া যায়। তাই কানাইপুরে পুলিশের টহল আরও বাড়ানোর দাবি করেছেন বাসিন্দারা।
কোন্নগরের কানাইপুরে বুধবার সন্ধ্যায় দুষ্কৃতী হামলায় গুরুতর আহত হয়েছিলেন তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য পিন্টু চক্রবর্তী ওরফে মুন্না। অফিস থেকে বাড়ি ফেরার পথে তাঁর উপর ধারাল অস্ত্র নিয়ে চড়াও হয় একদল দুষ্কৃতী। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে কলকাতার SSKM হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কিন্তু বাঁচানো যায়নি। চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।