সূত্রের খবর, নতুন ক্যামেরাগুলিতে থাকবে স্পষ্ট অডিয়ো রেকর্ডিংয়ের সুবিধা, নাইট ভিশন এবং ৩৬৫ দিনের স্টোরেজ ক্যাপাসিটি। ফলে গুরুত্বপূর্ণ মামলার শুনানিতে আদালতে ফুটেজ জমা দিতে গিয়ে আর ঘাম ঝরাতে হবে না তদন্তকারী আধিকারিকদের।

ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 3 September 2025 19:29
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজ্য জুড়ে থানায় (Police Station) বসানো সিসি ক্যামেরা (CCTV) নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ উঠছিল। ক্যামেরার গুণমান খারাপ, নাইট ভিশন নেই, স্টোরেজ সীমিত—ফলে আদালতে প্রমাণ হাজির করা থেকে শুরু করে সাধারণ অভিযোগ যাচাই—সবেতেই (Investigation) সমস্যায় পড়তে হচ্ছিল পুলিশকে।
সূত্রের খবর, সেই অচলাবস্থা কাটাতে এবার কমিশনারেটগুলির থানায় বসানো হচ্ছে অত্যাধুনিক ক্যামেরা (Hi-tech Surveillance)। প্রাথমিক পর্যায়ে ছ’টি কমিশনারেটের ৫০টি থানায় বসানো হবে কুড়িটি করে ক্যামেরা। খরচ ধরা হয়েছে প্রায় সাত কোটি টাকা।
সূত্রের খবর, নতুন ক্যামেরাগুলিতে থাকবে স্পষ্ট অডিয়ো রেকর্ডিংয়ের সুবিধা, নাইট ভিশন এবং ৩৬৫ দিনের স্টোরেজ ক্যাপাসিটি। ফলে গুরুত্বপূর্ণ মামলার শুনানিতে আদালতে ফুটেজ জমা দিতে গিয়ে আর ঘাম ঝরাতে হবে না তদন্তকারী আধিকারিকদের।
শুধু তাই নয়, থানার ভিতরে কর্তব্যরত কর্মীদের দুর্ব্যবহার কিংবা অভিযুক্তকে জেরা করার সময় শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ—সবই ধরা পড়বে ক্যামেরায়। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মতো তদন্তকারীর ঘর, চাইল্ড কর্নার ও জিজ্ঞাসাবাদ কক্ষ পুরোপুরি নজরদারির আওতায় থাকবে।
বর্তমানে প্রতিটি থানায় রয়েছে মাত্র ছ’টি ক্যামেরা। অথচ নির্দেশ অনুযায়ী অন্তত কুড়িটি ক্যামেরা লাগানো জরুরি। রাজ্যের সব থানায় এই ব্যবস্থা চালু করতে খরচ পড়বে একশো কোটিরও বেশি। তবে মামলার চাপ বেশি থাকায় প্রথম পর্যায়ে কলকাতা সংলগ্ন কমিশনারেটগুলিকেই বেছে নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় বরাদ্দ প্রায় পাঁচ কোটি টাকা, বাকি অংশ রাজ্যের শেয়ার থেকে যোগ হবে।
আগামী মাস থেকেই শুরু হবে কাজ। প্রাথমিক পর্যায়ে ৫০টি থানায় বসানো হয়ে গেলে ধাপে ধাপে বাকি কমিশনারেট ও জেলা সদর থানাগুলিতেও এই হাই-টেক নজরদারি চালু করা হবে। আধিকারিকদের আশা, নতুন ক্যামেরা বসানো হলে শুধু তদন্ত নয়, থানার ভেতরে স্বচ্ছতাও অনেকটাই বাড়বে।