Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
TB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তানসরকারি গাড়ির চালককে ছুটি দিয়ে রাইটার্স থেকে হাঁটা দিলেন মন্ত্রীছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কা

রাজ্যে ফের সক্রিয় বর্ষা, টানা কয়েকদিন বৃষ্টিতে ভিজবে বাংলা, উত্তরে ধসের আশঙ্কা

উত্তরবঙ্গে টানা ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা, নদীর জলস্তর বাড়বে, ধসের আশঙ্কা। দক্ষিণবঙ্গে বজ্রসহ বৃষ্টি ও তীব্র অস্বস্তির পূর্বাভাস।

রাজ্যে ফের সক্রিয় বর্ষা, টানা কয়েকদিন বৃষ্টিতে ভিজবে বাংলা, উত্তরে ধসের আশঙ্কা

আবহাওয়া

অন্বেষা বিশ্বাস

শেষ আপডেট: 5 August 2025 18:28

দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজ্যে ফের সক্রিয় বর্ষা। মৌসুমী অক্ষরেখা এই মুহূর্তে উত্তরবঙ্গের ওপর দিয়ে হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থান করছে। এর প্রভাবে উত্তর বাংলাদেশের ওপর একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে, যার জেরে বিপুল পরিমাণ জলীয় বাষ্প ঢুকছে রাজ্যের বিভিন্ন অংশে। এর ফলেই আগামী কয়েক দিন পশ্চিমবঙ্গের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে হতে চলেছে বিক্ষিপ্ত থেকে ভারী বৃষ্টি। উত্তরবঙ্গে কোথাও কোথাও অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকায় জারি হয়েছে সতর্কতা। অন্যদিকে, দক্ষিণবঙ্গে বাড়বে অস্বস্তিকর গরম ও হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও আর্দ্রতা-জনিত অস্বস্তি বেশি থাকবে।

দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় আজ, মঙ্গলবার ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। বিশেষ করে উত্তর ২৪ পরগনা ও নদিয়া জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সঙ্গে কিছুটা তাপমাত্রা বৃদ্ধি এবং আর্দ্রতা বৃদ্ধির কারণে অস্বস্তি আরও বাড়তে পারে। যদিও বজ্রবিদ্যুৎ সহ দু’এক পশলা বৃষ্টি হতে পারে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায়।

বুধবার দক্ষিণবঙ্গের উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া এবং নদিয়ায় বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বৃহস্পতিবার থেকে বৃষ্টির মাত্রা আরও বাড়বে। ওই দিন বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা প্রবল।

শুক্রবার পুরুলিয়ায় ভারী বৃষ্টি হতে পারে। বাকি জেলাগুলিতে থাকবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির প্রবণতা। সপ্তাহান্তে, অর্থাৎ শনিবার, রবিবার ও সোমবার দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ সহ দু’এক পশলা বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে।

তবে এই ক’দিন দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে তাপমাত্রা সামান্য বাড়বে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ অনেক বেশি থাকায় গরমে অস্বস্তির মাত্রা থাকবে চরমে।

আজ ও আগামীকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার ও বুধবার উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহার জেলায় ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে। অন্যদিকে মালদা, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি এবং ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিমি বেগে দমকা হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বৃহস্পতিবার পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে। পাশাপাশি কোচবিহার ও মালদা জেলাতেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা থেকে যাচ্ছে।

শুক্রবার থেকে রবিবার পর্যন্ত দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহার জেলায় ঘুরিয়ে ফিরিয়ে ভারী বৃষ্টি চলবে। সোমবার ফের উত্তরবঙ্গে প্রবল বর্ষণের আশঙ্কা রয়েছে। ওই দিন জলপাইগুড়ি, কালিম্পং ও আলিপুরদুয়ারে অতি ভারী বৃষ্টি, আর দার্জিলিং ও কোচবিহারে ভারী বৃষ্টি হতে পারে বলে সতর্কতা জারি হয়েছে।

ভারী ও অতি ভারী বৃষ্টির কারণে উত্তরবঙ্গের তিস্তা, তোর্সা ও জলঢাকা নদীর জলস্তর বাড়তে পারে। নিচু এলাকা প্লাবিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দার্জিলিং ও কালিম্পং-এর পার্বত্য এলাকায় ধস নামার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তরবঙ্গের ফালাকাটায় ৯০ মিলিমিটার, চ্যাংমারি ও ডায়নায় ৮০ মিলিমিটার, জয়, বীরপাড়া ও গোপালপুরে ৫০ মিলিমিটার এবং বালুরঘাট ও বাগডোগরায় ৪০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের নারায়ণপুরে সর্বোচ্চ ৯০ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। আমতলায় ৫০ মিলিমিটার, ব্যারাকপুর, তারকেশ্বর ও বাগাটিতে ৫০ মিলিমিটার এবং আলিপুর ও মানকড়ে ৪০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।
 


```