Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
'বিজেপির কথায় চললে আমাদের কাছেও তালিকা থাকবে', পুলিশ কর্তাদের চরম হুঁশিয়ারি ব্রাত্য বসুর!একসময় নীতীশকেই কুর্সি থেকে সরানোর শপথ নিয়েছিলেন! তাঁর ছেড়ে যাওয়া পদেই বসলেন শকুনি-পুত্র‘একজনকে ধরলে হাজার জন বেরোবে...’, আইপ্যাক ডিরেক্টর গ্রেফতারের পরই নাম না করে হুঁশিয়ারি মমতারনববর্ষে বাঙালিয়ানার ষোলো আনা স্বাদ! ঢাকাই কালো ভুনা থেকে আম পেঁয়াজির যুগলবন্দি, মিলবে এই রেস্তরাঁয়‘কোভিড ভ্যাকসিনই হার্ট অ্যাটাকের কারণ!’ শেন ওয়ার্নের মৃত্যু নিয়ে ছেলের মন্তব্যে নতুন বিতর্ক এবার রক্তদান শিবিরেও কমিশনের ‘নজরদারি’! রক্তের আকাল হলে কী হবে রোগীদের? প্রশ্ন তুললেন কুণালমারাঠি না জানলে বাতিল হবে অটো-ট্যাক্সির লাইসেন্স! ১ মে থেকে কড়া নিয়ম মহারাষ্ট্রেআশা ভোঁসলেকে শ্রদ্ধা জানাতে স্থগিত কনসার্ট, গায়িকার নামে হাসপাতাল গড়ার উদ্যোগউৎসবের ভিড়ে হারানো প্রেম, ট্রেলারেই মন কাড়ছে ‘উৎসবের রাত্রি’‘বাংলাকে না ভেঙেই গোর্খা সমস্যার সমাধান’, পাহাড় ও সমতলের মন জিততে উন্নয়নের ডালি শাহের

বারুইপুরে স্কুল তহবিলের ৩৫ লক্ষ টাকায় বিদেশ সফর, ভুয়ো বিল! সাসপেন্ড প্রধান শিক্ষক

দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে কেন অডিট হয়নি? কারা ছিলেন এই তছরুপের নেপথ্যে? তদন্ত চান স্কুলের অভিভাবকরাও।

বারুইপুরে স্কুল তহবিলের ৩৫ লক্ষ টাকায় বিদেশ সফর, ভুয়ো বিল! সাসপেন্ড প্রধান শিক্ষক

ছবি-সংগৃহীত।

সুমন বটব্যাল

শেষ আপডেট: 2 September 2025 18:43

দ্য ওয়াল ব্যুরো: স্কুলের অডিট হয়নি বছর পাঁচেক (School Funds , Barupur)। তহবিলের কোনও হিসেব নেই। বিদেশ সফরও (Foreign Trip) হয়েছে, অথচ স্কুল পরিচালন কমিটির কোনও অনুমতি নেই। এ ভাবেই একের পর এক বেনিয়মের অভিযোগে বারুইপুরের মল্লিকপুর আব্দাস সকুর হাইস্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক (Headmaster Suspend) অঞ্জন দাসকে সাসপেন্ড করল দক্ষিণ ২৪ পরগনার স্কুল শিক্ষা দফতরের ডিসিপ্লিনারি কমিটি।

অভিযোগ, ২০২০ সাল থেকে স্কুলের বিভিন্ন ফান্ড থেকে বিপুল অঙ্কের টাকা নয়ছয় করেছেন অঞ্জনবাবু। স্কুলের রঙ করানো, বেঞ্চ-টেবিল তৈরি, এমনকি প্রশ্নপত্র ছাপানোর খরচের ক্ষেত্রেও ভুয়ো বিল বানিয়ে টাকা তোলা হয়েছে বলে জানাচ্ছেন স্কুলের সহকর্মীরা। তাঁদের দাবি, আনুমানিক ৩০ থেকে ৩৫ লক্ষ টাকা তছরুপ করা হয়েছে।

স্কুল পরিচালন কমিটির সভাপতি শুভাশিস সাহু বলেন, ‘আর্থিক অনিয়মের একের পর এক প্রমাণ মিলেছে। স্কুলের ফান্ড অপব্যবহার করেছেন প্রধান শিক্ষক। যে কাজই হয়নি, তারও ভাউচার তৈরি করে টাকা তোলা হয়েছে।’

সহকারী শিক্ষক কুমারেশ মণ্ডলের অভিযোগ, ‘স্কুলের উন্নয়নমূলক ফান্ড যেভাবে খরচ করা হয়েছে, তার কোনও হিসেব মেলেনি। ডিআই অফিসারদেরও দেখাতে পারেননি কোনও বৈধ কাগজপত্র।’

আর এক শিক্ষক উমা প্রসাদ মণ্ডল জানালেন, ‘আমরা হিসেব চেয়েছিলাম, কিন্তু বলা হয় আমাদের সেই অধিকার নেই। লকডাউনের সময়ই বেশির ভাগ টাকা নয়ছয় হয়েছে। আমরা বাধ্য হয়ে ডিএম, কমিশনার অফ এডুকেশন এমনকি আরটিআই-ও করি।’

স্কুলের পরিবেশে অস্থিরতা তৈরি হওয়ায় শেষমেশ ডিসিপ্লিনারি কমিটির হস্তক্ষেপে সাসপেন্ড করা হয় প্রধান শিক্ষককে। অভিযোগ জানানো হলেও, এ বিষয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি প্রধান শিক্ষক অঞ্জন দাসের। একাধিকবার ফোন করা হলেও, তিনি ফোন ধরেননি।


```