সোমবার সকালে আটটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে এক প্রস্থ আলোচনার পরেই জেলাশাসক ও কেন্দ্রীয় এনফোর্সমেন্ট এজেন্সিগুলির সঙ্গে বৈঠকে বসেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার (CEC Gyanesh Kumar)।

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার
শেষ আপডেট: 9 March 2026 16:58
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিধানসভা ভোটের মুখে (West Bengal Assembly Election 2026) বাংলার প্রস্তুতি তদারকি করতে রবিবারই কলকাতায় পৌঁছেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) ১২ সদস্যের ফুল বেঞ্চ। সোমবার সকালে আটটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে এক প্রস্থ আলোচনার পরেই জেলাশাসক ও কেন্দ্রীয় এনফোর্সমেন্ট এজেন্সিগুলির সঙ্গে বৈঠকে বসেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার (CEC Gyanesh Kumar)। কিন্তু সেই বৈঠকেই তিন কেন্দ্রীয় এজেন্সির কাজে চূড়ান্ত অসন্তোষ প্রকাশ করে তাদের কার্যত ধমক দিলেন সিইসি।

কাঠগড়ায় তিন কেন্দ্রীয় সংস্থা
সূত্রের খবর, এদিনের বৈঠকে বিশেষ করে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (RBI), ডিরেক্টরেট অফ রেভেনিউ ইনটেলিজেন্স (Directorate of Revenue Intelligence) এবং আয়কর বিভাগের (IT) প্রতিনিধিদের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন জ্ঞানেশ কুমার। ভোটের আগে আর্থিক লেনদেন ও প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধে এই সংস্থাগুলির আরও সক্রিয় ভূমিকা আশা করেছিল কমিশন। কিন্তু তাদের গাফিলতি বা প্রস্তুতির অভাব নজরে আসতেই কড়া মেজাজে প্রশ্ন তোলেন মুখ্য কমিশনার।

রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া-র আধিকারিকে প্রশ্ন সিইসিআই-এর, বেআইনি অর্থের লেনদেন এবং অবৈধ টাকা উদ্ধারে আপনাদের ভূমিকা এখনও পর্যন্ত আশাব্যঞ্জক নয়। সূত্রের খবর, RBI এর আধিকারিক বলার চেষ্টা করেন আমাদের ক্ষমতা সীমিত, লোকবল ও সীমিত, কিন্তু সেই সময়ই জ্ঞানেশ কুমার বলেন, অজুহাত দেবেন না। যা করার করতে হবে। প্রতিটা নির্বাচনেই কমিশন যেসব নির্দেশ দেয় সেগুলো সঠিকভাবে পালন করতেই হবে।

রাজ্য সরকারের অধীনস্থ এক্সাইজ ডিপার্টমেন্টকে (আবগারি দফতর) পরিস্কার হুঁশিয়ারি মদের উৎপাদন যেন বৃদ্ধি না পায়, সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে বিশেষ নজর দিতে হবে এই বিষয়ে। বিশেষ করে কান্ট্রি স্পিরিট (বাংলা মদ) এর উৎপাদন ও বিক্রিতে রাস টানতে হবে।
সূত্রের দাবি, বৈঠকে রাজ্যের আধিকারিকদের উদ্দেশে কমিশন বলেছে, যদি কেউ ভাবেন, দেড় মাসের জন্য কমিশন সক্রিয়, তার পরে আর নয়, তা খুব ভুল ভাবনা।