এর আগে শনিবার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী অভিযোগ করেছিলেন, আরজি করের কেস 'ক্লোজড' করে দিতে নবান্ন অভিযানেই অভয়ার মা-বাবাকে শেষ করে দিতে চেয়েছিল পুলিশ।

সজল ঘোষ।
শেষ আপডেট: 10 August 2025 07:27
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পুলিশের লাঠির পর এবার চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ!
শনিবার নবান্ন অভিযানের (Nabanana Abhijan) মিছিলে যোগ দিতে এসে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি অভয়া (আরজি করে নির্যাতিতা ডাক্তারি ছাত্রীর)-র মা (Treat Abhaya's mother)। অভিযোগ, অভিযানের সময় পুলিশ তাঁকে মাথায় লাঠি মেরেছে, শাঁখা ভেঙে দিয়েছে, পিঠে আঘাত করেছে এবং ফেলে দিয়েছে। অভিযোগ করেছেন, “পুরুষ আর মহিলা পুলিশ দু’জনেই মেরেছে। আমার শাঁখা ভেঙে দিয়েছে। পিঠে লেগেছে। ফেলেও দিয়েছে।” একইসঙ্গে তাঁর স্বামীকেও মারধর করা হয়েছে বলে দাবি। যদিও কলকাতা পুলিশ এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
শনিবারই তাঁকে শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালের সর্বশেষ স্বাস্থ্য বুলেটিনে জানানো হয়েছে, রোগীর শারীরিক অবস্থা আপাতত স্থিতিশীল। সিটি স্ক্যান রিপোর্ট স্বাভাবিক এসেছে। তবে কপালে হেমাটোমা রয়েছে।
রাতে হাসপাতালে পৌঁছে বিজেপি নেতা ও কলকাতা পুরসভার ৫০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সজল ঘোষ (Sajal Ghosh) বলেন, “রোগী অনেকটাই স্থিতিশীল। তবে আঘাতটা সবাই দেখেছেন। বয়সও সবার জানা। এখানে সরকারি চাপ রয়েছে (Government Pressure)। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও সেই চাপের কথা স্বীকার করেছে। যা করার, সবার সামনে তো করবে না। তবে এখানে যে চিকিৎসা পাওয়ার কথা, তা মিলছে না।” তিনি আরও জানান, রবিবার সকালে তাঁকে কল্যাণী এইমসে (AIIMS) নিয়ে যাওয়া হবে।“
এর আগে শনিবার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী অভিযোগ করেছিলেন, আরজি করের কেস 'ক্লোজড' করে দিতে নবান্ন অভিযানেই অভয়ার মা-বাবাকে শেষ করে দিতে চেয়েছিল পুলিশ। এবার সজলের না 'চিকিৎসায় সরকারি চাপ' ঘিরে নতুন করে উত্তেজনার পারদ চড়ছে। যদিও সরকারি মহল বা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে সরকারি চাপের অভিযোগ নিয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। প্রতিক্রিয়া এলে প্রতিবেদনে আপডেট করা হবে।