Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
এবার রক্তদান শিবিরেও কমিশনের ‘নজরদারি’! রক্তের আকাল হলে কী হবে রোগীদের? প্রশ্ন তুললেন কুণালমারাঠি না জানলে বাতিল হবে অটো-ট্যাক্সির লাইসেন্স! ১ মে থেকে কড়া নিয়ম মহারাষ্ট্রেআশা ভোঁসলেকে শ্রদ্ধা জানাতে স্থগিত কনসার্ট, গায়িকার নামে হাসপাতাল গড়ার উদ্যোগউৎসবের ভিড়ে হারানো প্রেম, ট্রেলারেই মন কাড়ছে ‘উৎসবের রাত্রি’‘বাংলাকে না ভেঙেই গোর্খা সমস্যার সমাধান’, পাহাড় ও সমতলের মন জিততে উন্নয়নের ডালি শাহেরথাকবে না লাল কার্ড, খেলা ৫০ মিনিটের! ফুটবলকে আরও জনপ্রিয় করতে ছকভাঙা প্রস্তাব নাপোলি-প্রধানেরনতুন সূর্যোদয়! নীতীশের ছেড়ে যাওয়া মসনদে সম্রাট চৌধুরী, প্রথম বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী পেল বিহারমাত্র ৫০০ টাকার পরীক্ষা বাঁচাবে কয়েক লাখের খরচ, কেন নিয়মিত লিভারের চেকআপ জরুরি?অভিষেক ও তাঁর স্ত্রীর গাড়িতে তল্লাশির নির্দেশ! কমিশনের ‘হোয়াটসঅ্যাপ নির্দেশ’ দেখাল তৃণমূল৪২-এ বেবি বাম্প নিয়েও ওয়েট লিফটিং! স্বামী বরুণের সঙ্গে সমুদ্রসৈকতে রোম্যান্স করিশ্মার

হাওড়া পুরসভার দুই কর্মীর মৃত্যু, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে পরিবারের সঙ্গে দেখা করলেন ফিরহাদ

এদিন সকালে পৌনে ন’টা নাগাদ হাওড়া পুরসভার প্রধান প্রশাসনিক ভবনের সামনে হঠাৎই গুঁড়ি-সহ ধসে পড়ে বিশাল আকৃতির ইউক্যালিপটাস গাছটি। সেইসময় দফতরের সামনেই দাঁড়িয়ে ছিলেন উমেশ মাহাতো ও নুর মহম্মদ। গাছের ওজন ও ধাক্কায় চাপা পড়ে যান দু'জন। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁদের।

হাওড়া পুরসভার দুই কর্মীর মৃত্যু, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে পরিবারের সঙ্গে দেখা করলেন ফিরহাদ

মৃতদের পরিবারের সঙ্গে কথা বললেন ফিরহাদ

শেষ আপডেট: 2 July 2025 16:32

দ্য ওয়াল ব্যুরো: হাওড়া পুরসভা চত্বরে গাছ ভেঙে পড়ে দুই কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার সকালের এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পর মৃতদের পরিবারের সঙ্গে কথা বললেন পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। পাশাপাশি নিহতদের পরিবারের একজনকে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে ইতিমধ্যেই এই খবর পৌঁছেছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন তিনি।

সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ফিরহাদ হাকিম বলেন, 'এটা পুরোপুরি আমাদের ভাগ্য খারাপ। কোনও হাওয়া নেই, ঝড় নেই, বৃষ্টি নেই। হঠাৎ করে একটা গাছ পড়ে গেল। পরিবারের লোকেরা এসেছেন, আমি কথা বললাম। তাঁদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথাও হচ্ছে।' তিনি আরও জানান, 'একজনের ছেলেকে চাকরি দেওয়ার ব্যাপারে কথা হয়েছে। আর যিনি ক্যাজুয়াল কর্মী ছিলেন তাঁর জায়গায় পরিবারের কাউকে নিয়োগ করা হবে। এছাড়াও পুরসভার তরফ থেকে আজই দুই মৃতের পরিবারকে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়া হচ্ছে। আমরা পরিবারের পাশে আছি।'

ফিরহাদ জানান, 'আমি শুনে ছুটে এলাম। মুখ্যমন্ত্রীও আমাকে পরিবারের সঙ্গে কথা বলতে বলেছেন। তাঁদের পাশে আছি।'

প্রসঙ্গত, এদিন সকালে পৌনে ন’টা নাগাদ হাওড়া পুরসভার প্রধান প্রশাসনিক ভবনের সামনে হঠাৎই গুঁড়ি-সহ ধসে পড়ে বিশাল আকৃতির ইউক্যালিপটাস গাছটি। সেইসময় দফতরের সামনেই দাঁড়িয়ে ছিলেন উমেশ মাহাতো ও নুর মহম্মদ। গাছের ওজন ও ধাক্কায় চাপা পড়ে যান দু'জন। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁদের।

স্থানীয় কর্মীদের অভিযোগ, বহুদিন ধরেই গাছটি হেলে ছিল। বিষয়টি একাধিকবার কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এক কর্মীর কথায়, 'গাছটা যে কোনও সময় ভেঙে পড়তে পারে, এটা আমরা বারবার বলেছিলাম। আজ সকালে যদি অফিস শুরু হয়ে যেত, তাহলে হয়তো প্রাণহানির সংখ্যাটা আরও বাড়ত।'

ঘটনার পর স্বভাবতই প্রশ্ন উঠছে পুরসভার গাফিলতি নিয়ে। কেন বহুদিন ধরে হেলে থাকা গাছটি আগেভাগে কেটে ফেলা হল না? কেন এমন ঝুঁকির জায়গায় কর্মীদের কাজে লাগানো হচ্ছিল?

হাওড়া পুরসভা সূত্রে খবর, ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হবে। প্রয়োজনে সমস্ত পুরনো গাছের স্বাস্থ্যপরীক্ষা করে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও ভাবা হচ্ছে। তবে ততক্ষণে প্রাণ হারিয়েছেন দুই পরিশ্রমী কর্মী, যাঁদের প্রাণহানিকে ঘিরে শোকের ছায়া সহকর্মীদের মধ্যে।


```