তদন্তে নেমেই পুলিশ জানতে পারে, নাবালিকার (Minor Girl) মায়ের মৃত্যুর পিছনেও ওই ব্যক্তির অর্থাৎ তার বাবা পরোক্ষভাবে যুক্ত ছিল। দম্পতির মধ্যে অশান্তি হত, প্রায়ই স্ত্রীকে মারধর করতেন ওই ব্যক্তি।
.jpg.webp)
প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 20 September 2025 20:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মায়ের মৃত্যুর পর বাবার হাতে ধর্ষিত নাবালিকা মেয়ে। নিজেই অভিযোগ জানিয়েছিল পুলিশের কাছে। সেই ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করল আদালত। ২০ বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দিল আলিপুরদুয়ার বিশেষ ফাস্ট ট্র্যাক আদালত (Father sentenced to 20 years in prison)।
আলিপুরদুয়ারে এক নাবালিকার অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। অভিযোগ, মায়ের মৃত্যুর পর থেকেই লাগাতার তার বাবা তাকে ধর্ষণ করেছে। সেইসময় অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নির্যাতিতা ও তার ভাই মা মারা যাওয়ার পর থেকে বাবার সঙ্গেই থাকত। সেই সময় নানা অছিলায় ধর্ষণ করত তার বাবা। দিনের দিনের পর একইভাবে নির্যাতন চলতে থাকলে অবশেষে সহ্য করতে না পেরে পুলিশের দ্বারস্থ হয় নাবালিকা।
তদন্তে নেমেই পুলিশ জানতে পারে, নাবালিকার (Minor Girl) মায়ের মৃত্যুর পিছনেও ওই ব্যক্তি অর্থাৎ তার বাবা পরোক্ষভাবে যুক্ত ছিল। দম্পতির মধ্যে অশান্তি হত, প্রায়ই স্ত্রীকে মারধর করতেন ওই ব্যক্তি। তার অত্যাচারের কারণেই মায়ের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি নাবালিকার।
একাধিক তথ্যপ্রমাণ ও সাক্ষ্যদের বয়ানের ভিত্তিতে ওই ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করে আদালত। ২০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকার জরিমানার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অনাদায়ে আরও দু'মাস কারাগারে থাকতে হবে তাকে।