বুধবার সকাল থেকে বেলডাঙায় একটি জমি ঘিরে ফেলার কাজ শুরু হল। জমির মালিক তাজিমুদ্দিন চৌধুরী ওরফে মিলন জানালেন, রাস্তার ধারে তাঁর জমি। এরমধ্যে একদিন গাড়ি করে হুমায়ুন কবীর এসে দেখে গেছেন।শুনেছেন এই জমিতে বাবরি মসজিদের শিলান্যাস করতে চান হুমায়ুন। তারপরেই আর সময় নষ্ট করেননি।

শেষ আপডেট: 26 November 2025 16:35
৬ ডিসেম্বর মুর্শিদাবাদে বাবরি মসজিদের শিলান্যাস করবেন বলে আগেই জানিয়েছিলেন ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর (Humayun Kabir)। ইতিমধ্যেই বেলডাঙায় গিয়ে তিনি জায়গাও দেখে এসেছেন বলে খবর। ইতিমধ্যে ওই জায়গায় বাবরি মসজিদের ছবি সহ পোস্টার লাগানো হয়েছে।
বুধবার সকাল থেকে বেলডাঙায় একটি জমি ঘিরে ফেলার কাজ শুরু হল। জমির মালিক তাজিমুদ্দিন চৌধুরী ওরফে মিলন জানালেন, রাস্তার ধারে তাঁর জমি। এরমধ্যে একদিন গাড়ি করে হুমায়ুন কবীর এসে দেখে গেছেন। সেটা তাঁর কানে এসেছে। এটাও শুনেছেন এই জমিতে বাবরি মসজিদের শিলান্যাস করতে চান হুমায়ুন। তারপরেই আর সময় নষ্ট করেননি। বুধবার সকাল থেকেই জমি ঘেরার কাজ শুরু করে দিলেন তিনি। জানিয়ে দিলেন, স্পর্শকাতর বাবরি মসজিদের ব্য়াপারে তাঁর নাম জড়াক এটা তিনি চান না। তাই জমি ঘিরে ফেলছেন। কাউকেই জমিতে নামতে দেবেন না।
বেলডাঙায় রাস্তায় ধারে তাজিমুদ্দিন চৌধুরীর ৬ বিঘা জমি রয়েছে। এই জমি তিনি কাউকে বিক্রি করেননি বলে জানান। তাহলে কেন আচমকা লোক লাগিয়ে জমি ঘিরছেন? তাজিমুদ্দিন বলেন,"একদিন এই রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় এই জমিতে ঢুকেছিলেন হুমায়ুন। আমিন দিয়ে মাপজোকও করেন। তারপর থেকেই মানুষ মনে করছে আমার এই জমিতেই বাবরি মসজিদ হবে। প্রথমে আমি গুরুত্ব না দিলেও এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় বিষয়টি দারুণভাবে চাউর হয়েছে। অনেকেই জমিতে আসছে। আমি কাউকেই আমার জমি বিক্রি করিনি। এখন জমি ঘিরে ফেলছি। কাউকে ভেতরে ঢুকতে দেব না।"
১৯ নভেম্বর ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর জানিয়েছিলেন, ৬ ডিসেম্বর বাবরি মসজিদ ধ্বংসের বার্ষিকী উপলক্ষে মেয়ো রোডে গান্ধী মূর্তির সামনে তৃণমূলের আয়োজিত সংহতি দিবসের জমায়েতে যোগ দেবেন না। ওই দিনই মুর্শিদাবাদে বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। ওই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে আইএসএফ নেতা আব্বাস সিদ্দিকীকেও। দলের ডাকে সাড়া না দিয়ে হুমায়ুনের বিকল্প কর্মসূচি ঘোষণা রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল বাড়িয়েছে।
তবে এদিন জমি ঘেরার ফাঁকে তাজিমুদ্দিন বললেন, "শুধু আমার জমিতেই নয়, জেলায় বাবরি মসজিদ হোক, এটাই আমি চাই না। তার বদলে শিল্প হোক, হাসপাতাল হোক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হোক। এতে গোটা জেলার মানুষের অবস্থার উন্নতি হবে।"