তৃণমূল কংগ্রেসের সরকারকে আক্রমণ করে শমীক আরও বলেন, 'মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় খুব গর্বের সঙ্গে বলেন পশ্চিমবঙ্গ ১০০ দিনের কাজে দেশে এক নম্বর। আসলে তাঁর লজ্জা নেই। রাজ্যের আর্থিক দুর্দশা এখন এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে এরাজ্যের মানুষের এখন একটাই লক্ষ্য ১০০ দিনের কাজ পাওয়া। অন্য কোনও কাজ আর এখন এই রাজ্যে নেই। আমরা এখন নৈরাজ্যের বাসিন্দা।'

শেষ আপডেট: 5 November 2025 16:06
'কোনও কমিশন, কোনও ইডি (ED), সিবিআইয়ের (CBI) প্রয়োজন নেই। কেন্দ্রীয় বাহিনী লাগবে না। বাংলার মানুষই তৃণমূলকে (TMC) ছুড়ে ফেলে বাংলায় ডবল ইঞ্জিনের সরকার প্রতিষ্ঠা করবে।' শনিবার বিজেপি যুব মোর্চার এক অনুষ্ঠানে এসে এমনই মন্তব্য করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharya)। তাঁর মতে রাজ্যের (পশ্চিমবঙ্গ) মানুষ মন ঠিক করে নিয়েছেন। তৃণমূলের এই অত্যাচার তারা আর সহ্য করতে পারছেন না।
সারা দেশের প্রায় প্রতিটা বিজেপি বিরোধী দল একবাক্যে একটা অভিযোগ বরাবর করে যে; বিজেপি ক্ষমতায় আসার জন্য বিভিন্ন কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে ব্যবহার করে। তা সে ইডি (Enforcement Directorate), সিবিআই(CBI) হোক বা রাজ্যপালকে কাজে লাগিয়ে বিরোধী সরকার ভেঙে দেওয়া হোক। শনিবার খানিকটা সেই প্রসঙ্গ টেনে বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, 'নির্বাচন কমিশন, ইডি, সিবিআই-এর ভরসায় বিজেপি রাজনীতি করতে আসেনি, বিজেপি এসেছে মানুষকে সঙ্গে নিয়ে। বিজেপির কোনও ইডি, সিবিআই বা কেন্দ্রীয় বাহিনী লাগবে না।' শমীক ভট্টাচার্যের মতে, রাজ্যের মানুষ তাঁদের মনস্থির করে নিয়েছেন। তাঁর মতে, 'বাংলার মানুষ মুক্তি চায়, মানুষ বিজেপিকে চায়।'
এসআইআর (SIR) বা ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন নিয়ে রাজ্য রাজনীতি এই মুহূর্তে তোলপাড়। বিজেপির একের পর এক নেতা বারবার করে বলছেন এসআইআর হলেই এক কোটি অবৈধ ভোটারের নাম বাদ যাবে, আর সেটা হলেই ২০২৬-এ তৃণমূলের পরাজয় হবে। যদিও রাজ্য সভাপতির মন্তব্য, 'কবে কমিশন এসআইআর করবে তার জন্য বিজেপি বসে নেই। এসআইআর হোক, কমিশন আসুক বা না আসুক, ৩৫৫ বা ৩৫৬ ধারা নয়, কোনও রাজ্যপাল লাগবে না। বাংলার মানুষই আর তৃণমূলকে ক্ষমতায় আনবে না।
তৃণমূল কংগ্রেসের সরকারকে আক্রমণ করে শমীক আরও বলেন, 'মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় খুব গর্বের সঙ্গে বলেন পশ্চিমবঙ্গ ১০০ দিনের কাজে দেশে এক নম্বর। আসলে তাঁর লজ্জা নেই। রাজ্যের আর্থিক দুর্দশা এখন এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে এরাজ্যের মানুষের এখন একটাই লক্ষ্য ১০০ দিনের কাজ পাওয়া। অন্য কোনও কাজ আর এখন এই রাজ্যে নেই। আমরা এখন নৈরাজ্যের বাসিন্দা।'