সোমবার সেই ঘটনায় প্রতিবাদ জানাতে দুর্গাপুর পৌঁছান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সিটি সেন্টারের সামনে ন্যায় বিচারের দাবিতে ধর্নায় বসেন তিনি। শুভেন্দুর বক্তব্য চলাকালীন সময়েই মঞ্চে এসে উপস্থিত হন নির্যাতিতার বাবা। মুখে সাদা তোয়ালে ঢেকে তিনি মঞ্চের পিছনে রাখা একটি চেয়ারে বসেন। প্রায় পনেরো মিনিট ধরে তিনি সেখানে ছিলেন, তারপর উঠে চলে যান।

শেষ আপডেট: 13 October 2025 13:48
দ্য ওয়াল ব্যুরো : দুর্গাপুরে বেসরকারি মেডক্যাল কলেজ হাসপাতালের (Durgapur Medical College) এক ছাত্রীর গণধর্ষণের (Durgapur Gang Rape) ঘটনায় ক্রমেই বাড়ছে উত্তেজনা। সোমবার সেই ঘটনায় প্রতিবাদ জানাতে দুর্গাপুর পৌঁছান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সিটি সেন্টারের সামনে ন্যায় বিচারের দাবিতে ধর্নায় বসেন তিনি। শুভেন্দুর বক্তব্য চলাকালীন সময়েই মঞ্চে এসে উপস্থিত হন নির্যাতিতার বাবা। মুখে সাদা তোয়ালে ঢেকে তিনি মঞ্চের পিছনে রাখা একটি চেয়ারে বসেন। প্রায় পনেরো মিনিট ধরে তিনি সেখানে ছিলেন, তারপর উঠে চলে যান।
পরে শুভেন্দু বলেন, "পীড়িত কন্যার পিতার উপস্থিতিতেই আমরা এই ধর্না চালু করেছি। নির্যাতিতার বাবা আমার কাঁধে মাথা রেখে কেঁদে ফেলেন। তিনি (নির্যাতিতার বাবা) বলেন— উড়িষ্যার মুখ্যমন্ত্রী মোহন মাঝি তাঁকে ফোন করেছেন, কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী একবারও তাঁর সঙ্গে কথা বলেননি।” বিরোধী নেতা অভিযোগ করেন, নির্যাতিতার পরিবারের সুরক্ষা মমতার পুলিশ দেয়নি, বিজেপির যুব বন্ধুরাই দিয়েছে। এটা আমি বলছি না— নির্যাতিতার বাবা-মা নিজেরাই বলেছেন। তাঁদের (নির্যাতিতার বাবা-মা) কথায়, ‘আপনাদের যুবরা ছিল বলেই আমার মেয়েটা এখনও বেঁচে আছে।’”
শুভেন্দুর অভিযোগ, তাঁদের মঞ্চ তৈরিতে বাঁধা দিয়েছে মমতার পুলিশ, শেষে বলে দিয়েছে সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত ধর্না করা যাবে। শুভেন্দু চ্যালেঞ্জ করে বলেন, "আমরা এখনও আছি, দেখি আমাদের কীভাবে সরায়।” তিনি আরও বলেন, "রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে এক ইঞ্চি জমিও ছাড়া হবে না। একজনও বিজেপি কর্মী ধর্না মঞ্চ ছেড়ে যাবেন না। যদি যেতে হয়, প্রিজন ভ্যানেই যাবেন।” শুভেন্দু জানান, আজ তো হাসপাতালকে দুর্গে পরিণত করা হয়েছে। আমি আসব শুনে এক চিকিৎসক নিজেই বললেন, আমরা প্রচণ্ড চাপে আছি।”