মেডিকেল সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে অনকোলজি বিভাগের করিডোরে। সেখানে বেশ কিছুদিন ধরে রাতে থাকছিলেন ওই ভবঘুরে। বুধবার রাতেও প্রতিদিনের মতো করিডোরে শুয়েছিলেন তিনি। সকাল হতেই দেখা যায় ওই ভবঘুরের মৃত্যু হয়েছে। তাঁর একটি পা খুবলে খেয়েছে কুকুর।

শেষ আপডেট: 17 July 2025 20:28
ভবঘুরের দেহ খুবলে খেল কুকুর। অমানবিক এই ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই মেডিকেলের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ও নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। মেডিকেলের সুপারের দাবি, প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ ছাড়া এই ধরনের ঘটনা রোধ করা সম্ভব নয়। ঘটনাটি লিখিত ভাবে পুলিশকে জানানো হয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, মৃত্যুর পর কুকুর দেহ খুবলে খেয়েছে নাকি কুকুরের আক্রমণেই মৃত্যু হয়েছে ভবঘুরের।
মেডিকেল সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে অনকোলজি বিভাগের করিডোরে। সেখানে বেশ কিছুদিন ধরে রাতে থাকছিলেন ওই ভবঘুরে। বুধবার রাতেও প্রতিদিনের মতো করিডোরে শুয়েছিলেন তিনি। সকাল হতেই দেখা যায় ওই ভবঘুরের মৃত্যু হয়েছে। তাঁর একটি পা খুবলে খেয়েছে কুকুর। বিষয়টি নজরে আসা মাত্রই ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। তড়িঘড়ি মেডিকেল কর্তৃপক্ষ ভবঘুরের দেহ মর্গে নিয়ে যায়। ময়নাতদন্তের পর ভবঘুরের মৃত্যুর কারণ জানা যাবে বলে জানাচ্ছে মেডিকেল কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয়দের দাবি, মেডিকেল কলেজ জুড়ে যেমন ভবঘুরের বাস, ঠিক তেমনি গোটা চত্বর দাপিয়ে বেড়ায় কুকুলের দল। মেডিকেল কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছে প্রায় এক থেকে দেড়শো কুকুর ঘুরে বেড়ায় কলেজ চত্বরে। কুকুরগুলি যথেষ্ট হিংস্র। মেডিকেল সুপার সঞ্জয় মল্লিকের দাবি, কুকুর নিয়ন্ত্রণে আনতে বিভিন্ন সময় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনকে বলা হয়েছে। প্রশাসনিক স্তরে আলোচনা হয়েছে। কিন্তু কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তিনি বলেন, ‘‘একইভাবে সমস্যা বেড়েছে ভবঘুরেরদের নিয়ে। এখন ভবঘুরেদের আশ্রয় কোথায় হবে তা মেডিকেলের বিষয় নয়। মেডিকেল চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়ার জন্য তৈরি হয়েছে। স্বাভাবিকভাবে সমস্যা সমাধানে প্রশাসনকে এগিয়ে আসতে হবে।’’
আগেও এই ধরনের ঘটনা সামনে এসেছে। কখনও ব্লাড ব্যাঙ্ক থেকে রক্তের প্যাকেট নিয়ে দৌড়চ্ছে সারমেয় আবার কখনও রুগীর কাটা হাত নিয়ে খুবলে খেতেও দেখা গিয়েছে। এদিনের ঘটনায় নতুন করে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়।