দিলীপের বক্তব্য, নির্বাচন না আসলে প্রধানমন্ত্রী খুব একটা জনসভা করেন না। সরকারি কোনও সভা বা প্রশাসনিক কাজে এলে দলীয় কর্মী-নেতারা আগ্রহ দেখান যাতে তিনি একটি জনসভা করেন।

দিলীপ ঘোষ
শেষ আপডেট: 15 July 2025 12:47
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ১৮ তারিখ বাংলায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Narendra Modi)। দুর্গাপুরে তাঁর সভা করার কথা রয়েছে। সেই অনুষ্ঠানে ডাক পেয়েছেন দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। এই খবর নিয়ে তো চর্চা চলছেই। এদিকে তিনি সভামঞ্চে থাকবেন কিনা, তা নিয়েও কৌতূহল। এসবের মাঝে সংবাদমাধ্যমে দিলীপ জানান, দলীয় কর্মী হিসেবেই তিনি প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে যাবেন। কোনও পদাধিকারী হিসেবে নয়। তাই মঞ্চে থাকা বা না থাকা, তাঁর কাছে কোনও গুরুত্ব পাচ্ছে না।
দিলীপের বক্তব্য, নির্বাচন না আসলে প্রধানমন্ত্রী খুব একটা জনসভা করেন না। সরকারি কোনও সভা বা প্রশাসনিক কাজে এলে দলীয় কর্মী-নেতারা আগ্রহ দেখান যাতে তিনি একটি জনসভা করেন। এই প্রসঙ্গেই বিজেপি নেতা খোঁচা দেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee)। বলেন, ''প্রধানমন্ত্রী সরকারি কাজে আসছেন। উনি একটা সিস্টেম মানেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো নন যে সরকারি সভা আর পার্টির সভা গুলিয়ে ফেলেন।''
বিজেপি নেতার কটাক্ষ, ''মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একই মঞ্চ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে গালাগালি দেন, ওসি-কে ধমকান, আবার প্রশাসনিক বৈঠকও করেন। এভাবে প্রধানমন্ত্রী কাজ করেন না। তিনি যেখানে যান আগে প্রশাসনিক বা সরকারি কাজ হয়ে যায়। তারপর কোনও জনসভা করলে সেখান থেকে রাজনৈতিক সমালোচনা করার থাকলে করেন।''
প্রসঙ্গত, দলীয় সূত্রের খবর, দিলীপ ঘোষ অবশ্যই দুর্গাপুরের জনসভায় উপস্থিত থাকবেন। একইসঙ্গে শোনা যাচ্ছে, উত্তরবঙ্গে দলের সংগঠন চাঙ্গা করতে যে কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে, তাতে দিলীপ ঘোষেরই অগ্রণী ভূমিকা থাকবে।
মোদীর সভায় দিলীপের উপস্থিতি রাজনৈতিক মহলের জন্য ভীষণ তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, অতীতে আলিপুরদুয়ার কিংবা নেতাজি ইন্ডোরে অমিত শাহের সভার মতো গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে তাঁকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। ফলে তাঁর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে দলের অন্দরে জল্পনা তৈরি হয়েছিল। দিলীপ নিজেও প্রকাশ্যে আক্ষেপ করে বলেছিলেন, “দলীয় বৈঠকে একটা চেয়ারও জোটে না।” সেই মন্তব্য ঘিরে কম জলঘোলা হয়নি।