রাজ্যের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতে জানান, ‘‘আমরাই তো ভোট করানোর নির্দেশ দিয়েছি। কিন্তু কলেজগুলোই ভোট করায়নি।’

গ্রাফিক্স-দ্য ওয়াল।
শেষ আপডেট: 2 September 2025 21:03
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কলেজে-কলেজে ছাত্রভোট বন্ধ (Student Vote)। ছাত্র সংসদের ঘরে ঝুলছে তালা। এ ব্যাপারে রাজ্য আগেই জানিয়েছে, তারা তো কখনও ভোটে বাধা দেয়নি! নির্দেশিকা জারি করেও নাকি কোনও লাভ হয়নি—উৎসাহ দেখায়নি কলেজ-ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষই (Colleges, University)। এই দাবি ঘিরেই এবার বড় নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court,)।
বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি স্মিতা দাস দে-র ডিভিশন বেঞ্চের কড়া নির্দেশ—রাজ্যের বক্তব্যেই যদি সত্যি থাকে, তা হলে সেটা প্রমাণ করতে হবে দলিল সহ। শেষ ছাত্রভোটের পর থেকে যত ডেপুটেশন জমা পড়েছে, তা পাঠাতে হবে শিক্ষা দফতরে। সেসবের ভিত্তিতে রাজ্য যে জবাব দিয়েছে, আদালতে পেশ করতে হবে তার কপি।
হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ, ভোট না হলে দোষ কার, তা স্পষ্ট হওয়া দরকার। রাজ্যের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতে জানান, ‘‘আমরাই তো ভোট করানোর নির্দেশ দিয়েছি। কিন্তু কলেজগুলোই ভোট করায়নি।’’ এর জবাবে মামলাকারীদের আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, “রাজ্য যদি বলে কলেজই ভোটে অনাগ্রহী, তবে স্পষ্ট করে বলুক—কোন কোন কলেজ ভোট করছে না? বরং বাস্তব হল, রাজ্যই ছাত্র সংসদ নির্বাচন বন্ধ রেখেছে। দায় তাদেরই।”
এই পাল্টাপাল্টি দাবির মাঝেই আদালতের নির্দেশ, রাজ্যের অধীনে থাকা ৩৬৫টি কলেজ ও ১০টি বিশ্ববিদ্যালয়কে মামলায় পক্ষভুক্ত করা হোক। জানতে চাওয়া হোক, তাদের বক্তব্য কী? ভোটে অনাগ্রহের আসল কারণই বা কী?
প্রসঙ্গত, এর আগে আদালত নির্দেশ দিয়েছিল—যেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বৈধ ছাত্র সংসদ নেই, সেখানে তালাবন্ধ রাখতে হবে ইউনিয়ন রুম। রেজিস্ট্রারের লিখিত অনুমতি ছাড়া ছাত্রদের ওই ঘরে প্রবেশ নিষিদ্ধ।