Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
গরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তানসরকারি গাড়ির চালককে ছুটি দিয়ে রাইটার্স থেকে হাঁটা দিলেন মন্ত্রীছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কাস্কি, ক্যান্ডেললাইট ডিনার আর পরিবার, বিয়ের জন্মদিনে কোন স্মৃতিতে ভাসলেন আলিয়া? পরপর দু’বার ছাঁটাই! চাকরি হারিয়ে 'বিহারি রোল' বানানো শুরু, এখন মাসে আয় ১.৩ কোটিনববর্ষে সস্তায় পেটপুরে খাওয়া! দুই বাংলার মহাভোজ একই থালিতে, হলিডে ইন-এ শুরু হচ্ছে ‘বৈশাখী মিলনমেলা’কষা মাংস থেকে কাটলেট! নববর্ষে তাজের সমস্ত হোটেলে জিভে জল আনা ভোজ, রইল সুলুকসন্ধানপিএসএল ছেড়ে আইপিএলে আসার কড়া মাশুল! ২ বছরের জন্য সাসপেন্ড কেকেআরের এই পেসার

Chetla New OC: মেয়রের ওয়ার্ডে খুন! রাতারাতি এলেন নতুন ওসি

ঘটনায় এপর্যন্ত দু'জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পাঁচজনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। 

Chetla New OC: মেয়রের ওয়ার্ডে খুন! রাতারাতি এলেন নতুন ওসি

মৃত বাঁদিকে ও ডানদিকে সিপি মনোজ ভার্মা

গার্গী দাস

শেষ আপডেট: 26 October 2025 17:32

দ্য ওয়াল ব্যুরো: শনিবার চেতলায় মদের আসরে বন্ধুর হাতে খুন হন বছর চল্লিশের এক ব্যক্তি। ১৭ নং বাস স্ট্যান্ডের কাছে শাবল দিয়ে কুপিয়ে মারা হয় তাঁকে। মেয়রের ওয়ার্ডে এমন ঘটনায় রাত থেকেই হইচই পড়েছিল, নিরাপত্তা নিয়েও উঠছিল প্রশ্ন। এবার চেতলা থানায় রাতারাতি এলেন ওসি।

জানা গেছে, কোনও ওসি ছিল না ওই থানায়। তাঁর দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন কলকাতা পুলিশের উচ্চ পদস্থ আধিকারিক সুখেন্দু মুখোপাধ্যায়। এদিন সকালে সিপি মনোজ ভার্মা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে ঘটনাস্থলে পৌঁছলে বিষয়টি সামনে আসে এবং তার কয়েকঘণ্টা পরই নিউ আলিপুর থানার অ্যাডিশনাল ওসি অমিতাভ সরখেলকে চেতলার ওসি পদে বসানো হয়। 

ঘটনায় এপর্যন্ত দু'জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পাঁচজনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। 

শনিবার রাতে মদের আসর বসেছিল চেতলার ১৭ নম্বর বাস স্ট্যান্ডের কাছে। মদ্যপান করছিলেন অশোক পাসওয়ান ও তাঁর বন্ধুরা। স্থানীয়রা জানান, সেই সময় অশোকে সঙ্গে বচসা বাধে বাকিদের। এক 'বন্ধু' হঠাৎ তাঁর ওপর চড়াও হন এবং শাবল চালিয়ে দেন।

এমনভাবে শাবল অশোকের শরীরে গেঁথে দেওয়ার চেষ্টা হয়, যে তা ওঁর ঘাড়ের পাশ দিয়ে ঢুকে যায়। চিৎকার চেঁচামেচি শুনে স্থানীয়রা ছুটে যান। খবর পৌঁছয় পুলিশে। আধিকারিকরা পৌঁছে অশোককে উদ্ধার করতে গেলে দেখা যায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে। ততক্ষণে রক্তে ভেসে যাচ্ছে গোটা এলাকা।

এনিয়েই তৎপর হয় কলকাতা পুলিশ। অভিযুক্তদের খোঁজার পাশাপাশি নিরাপত্তার বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হয়।

স্থানীয়দের একাংশ বিষয়টি নিয়ে রীতিমতো আতঙ্কে। তাঁরা অনেকেই অভিযোগ তুলেছেন, ইদানিং পরিবেশ খারাপ হয়ে যাচ্ছে। একজন বলেন, 'অতিরিক্ত নেশা, কোনও প্রতিবাদ নেই। যাতে পরিবেশ সুস্থ হয়, সেটাই চাই। আমরা জানাতে গেলে বেশি মার্ডার হয়ে যাব। আবার একটা খুন হবে। ছোট থেকে এখানে বড় হয়েছি, এসব দেখিনি। সব বাইরে থেকে আসছে, বন্ধুরা আনছে, আপনি বলতে গেলে মেরে দেবে। পুলিশকে জানিয়েও বা কী হবে। পুলিশকেও তো মারতে যায়। পুলিশকে বলেছি যতোটা বলার। আমাদের পাড়ার ছেলে, আড্ডা দিত ওখানে। যেই করে থাকুক, তার যেন শাস্তি হয়।'
 


```