Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
মাতৃত্বের দুশ্চিন্তা, ‘ভাল মা’ হওয়ার প্রশ্ন—সদগুরুর পরামর্শে স্বস্তি পেলেন আলিয়ালক্ষ্য ২০২৯ লোকসভা ভোট, তড়িঘড়ি মহিলা সংরক্ষণ কার্যকরে মরিয়া মোদী! বাধা হয়ে দাঁড়াবে কি কংগ্রেস?Gold investment: যুদ্ধের বাজারে সোনার দাম কমছে! এটাই কি বিনিয়োগের সেরা সময়? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরারহস্য আর মনের অন্ধকারে ঢুকে পড়ল ‘ফুল পিসি ও এডওয়ার্ড’! টিজারে চমকজিৎ-প্রযোজক দ্বন্দ্বে আটকে মুক্তি! ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’-এর মুক্তি বিশ বাঁও জলে?কিউআর কোড ছড়িয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ! কীভাবে রাতারাতি নয়ডার বিক্ষোভের প্ল্যানিং হল, কারা দিল উস্কানি?নয়ডা বিক্ষোভ সামাল দিতে 'মাস্টারস্ট্রোক' যোগী সরকারের! শ্রমিকদের বেতন বাড়ল ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত Jeet: ভুয়ো প্রচার! ভোট আবহে গায়ে রাজনীতির রঙ লাগতেই সরব জিৎ৪ হাজার থেকে নিমেষে ১ লক্ষ ৮৫ হাজার ফলোয়ার! এক স্পেলেই সোশ্যাল মিডিয়ার নতুন তারকা প্রফুল্লসামনে কাজল শেখ, মমতা কথা শুরু করতেই হাত নেড়ে বিরক্তি প্রকাশ অনুব্রতর! সিউড়িতে কী ঘটল

রাজ্যে জাল পাসপোর্ট-আধারের ছড়াছড়ি, সিন্ডিকেট ভাঙাই মূল লক্ষ্য: সিপি মনোজ ভার্মা

তদন্তে উঠে এসেছে কলকাতার আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস থেকেই একসময় ১৩০টি পাসপোর্ট ইস্যু হয়েছিল, যার মধ্যে ১২০টির মালিক বাংলাদেশের নাগরিক।

রাজ্যে জাল পাসপোর্ট-আধারের ছড়াছড়ি, সিন্ডিকেট ভাঙাই মূল লক্ষ্য: সিপি মনোজ ভার্মা

মনোজ ভার্মা

শেষ আপডেট: 5 June 2025 16:38

দ্য ওয়াল ব্যুরো: পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে বাড়ছে জাল পাসপোর্ট ও ভুয়ো আধার কার্ড (Fake Passport and Aadhar Card) তৈরির প্রবণতা। বিভিন্ন সময়ে এমন নথি বানিয়ে রাজ্যে বসবাস করা বাংলাদেশি এমনকী পাকিস্তানি নাগরিকদের খোঁজ মিলেছে। এতে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। গোটা বিষয়টি নিয়ে রাজ্য পুলিশের পাশাপাশি সক্রিয় হয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থাও।

কলকাতা পুলিশের কমিশনার মনোজ ভার্মা (CP Manoj Verma) জানিয়েছেন, পুলিশের মূল লক্ষ্য হল - এই জালিয়াতি চক্রের মূল শিকড় উপড়ে ফেলা। সিন্ডিকেট ভাঙাই মূল লক্ষ্য। তিনি বলেন, শুধুমাত্র ভুয়ো নথির ব্যবহারকারীদের নয়, এই অপরাধচক্রের মূলচক্রীদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষ্যে আলিপুর বডিগার্ড লাইনে একটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নিতে গিয়ে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন সিপি মনোজ ভার্মা। তিনি জানান, "জাল পাসপোর্ট ইস্যুতে অতীতেও পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এখন আরও কড়াকড়ি করা হচ্ছে ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়ায়। যেখানে যেখানে জাল নথির অভিযোগ উঠছে, সেখানেই খুঁটিয়ে দেখা হচ্ছে আসল সত্য।"

এছাড়া, তদন্তে উঠে এসেছে কলকাতার আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস থেকেই একসময় ১৩০টি পাসপোর্ট ইস্যু হয়েছিল, যার মধ্যে ১২০টির মালিক বাংলাদেশের নাগরিক। প্রাথমিক তদন্তে সন্দেহ, কলকাতা সংলগ্ন কিছু এলাকা থেকেই একটি সুসংগঠিত চক্র এসব জালিয়াতির কারবার চালাচ্ছে।

এজেন্টদের মাধ্যমে এই চক্র পুলিশ ভেরিফিকেশন থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের নথি তৈরির ‘প্যাকেজ ডিল’ দেয়। পাসপোর্ট তৈরির জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকার বিনিময়ে সব ব্যবস্থা করে দেওয়া হয় — এই অভিযোগে তদন্ত জারি রয়েছে।

এদিকে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ইডিও এই পাসপোর্ট চক্র নিয়ে তদন্তে নেমেছে। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কিন্তু এখনও জানা যায়নি, অভিযুক্ত বাংলাদেশিরা কাদের মাধ্যমে এই কাজ করিয়েছেন, কত টাকা লেনদেন হয়েছে, এবং ঠিক কীভাবে তারা ভারতীয় নাগরিক পরিচয়ে সরকারি নথি হাতে পেয়েছেন।

কলকাতা পুলিশ জানিয়েছে, এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই এখন তদন্তের গতিবিধি আরও গতি পাচ্ছে।


```