দুর্ঘটনায় শোকস্তব্ধ গোটা গ্রাম। সন্তানকে হারিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন কিরণের বাবা-মা। শিশুটির মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে পুলিশ।
.jpg.webp)
মাটির দেওয়াল চাপা পড়ে মৃত্যু শিশুর
শেষ আপডেট: 3 August 2025 16:20
দ্য ওয়াল ব্যুরো: উঠোনে বসে খেলছিল আড়াই বছরের এক শিশু। হঠাৎ হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল মাটির দেওয়ালের একাংশ। চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হল শিশুটির (Child death in Bankura)। টানা বৃষ্টিতে মাটির দেওয়াল ভেজা ছিল। সেই থেকেই বাঁকুড়ার বীরসিংহ গ্রামে এই দুর্ঘটনা বলে অনুমান করা হচ্ছে।
বীরসিংহ গ্রামের ডাঙাপাড়ায় একটি কাঁচা বাড়িতে থাকেন বিশ্বনাথ লোহার, পেশায় দিনমজুর। রবিবার সকালে বাড়ির উঠোনে খেলা করছিল তাঁর ছোট মেয়ে কিরণ। আচমকাই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে বাড়ির একাংশ। দেওয়ালের নিচে চাপা পড়ে যায় ছোট্ট শিশুটি। ছুটে আসেন বাড়ির সদস্যরা। মাটি সরিয়ে তড়িঘড়ি তাকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় পাত্রসায়র ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। সেখানে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
দুর্ঘটনায় শোকস্তব্ধ গোটা গ্রাম। সন্তানকে হারিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন কিরণের বাবা-মা। শিশুটির মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে পুলিশ।
খবর পেয়েই হাসপাতালে ছুটে যান বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল সভাপতি সুব্রত দত্ত। তিনি জানান, রাজ্য প্রশাসনের তরফে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। এছাড়া, তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষ থেকে আরও ৩ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, শনিবার উত্তর দমদমে একটি মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে যায়। ঘরের ভিতর জমা জমে ডুবে মৃত্যু হয় পাঁচ মাসের ঋষিকার।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকালে খাটের উপর ঘুমন্ত ঋষিকাকে রেখে পাশেই গৃহকর্মে ব্যস্ত ছিলেন মা। কয়েক মিনিটের জন্য খাটের পাশ ছেড়ে যান তিনি। সেই ফাঁকেই ঘটে যায় বিপত্তি। খাট থেকে ঘরের জমা জলে পড়ে তলিয়ে যায় সে। ফিরে এসে মেয়েকে জলমগ্ন অবস্থায় দেখে চমকে যান তাঁরা। তড়িঘড়ি তুলে নিয়ে ছুটে যান স্থানীয় হাসপাতালে। চিকিৎসকরা জানান, হাসপাতালে আনার আগেই মৃত্যু হয়েছে ঋষিকার।