জনতাকে সতর্ক করে তিনি বলেন, "শুধু ড্রাফট লিস্টে নাম থাকলে হবে না, ফাইনাল লিস্টে নাম আছে কিনা দেখে নেবেন।"
.jpeg.webp)
গ্রাফিক্স-দ্য ওয়াল।
শেষ আপডেট: 9 December 2025 13:56
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কমিশনের (Election Commission) ঘোষণা অনুযায়ী এসআইআর (SIR) এর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশিত হবে ১৪ ফেব্রুয়ারি। তারপরের দিনই নির্বাচন কমিশন ইলেকশন ডিক্লেয়ার করে দিতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Chief Minister Mamata Banerjee)।
মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, "এদের চালাকি হচ্ছে ফাইনাল লিস্ট তৈরির পরের দিনই ইলেকশন ডিক্লেয়ার করে দিতে পারে, যাতে কেউ কোর্টে যেতে না পারেন।"
কেন একথা বলছেন, কোচবিহারের রাসমেলার মাঠের জনসভা থেকে তার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এসআইআর এর নাম করে বহু প্রকৃত ভোটারের নাম কাটার অভিযোগ উঠছে। এ প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, মারা যায়নি, তবু মৃত দেখানো হচ্ছে। হয়তো বিয়ে হয়ে অন্যত্র চলে গেছে, সেখানে তার নাম আছে কিনা দেখার আগেই পুরনো নাম কেটে ফেলা হচ্ছে।
এরপরই জনতাকে সতর্ক করে তিনি বলেন, "শুধু ড্রাফট লিস্টে নাম থাকলে হবে না, ফাইনাল লিস্টে নাম আছে কিনা দেখে নেবেন।"
কমিশনের এসআইআর সংক্রান্ত কাজকর্ম নিয়ে কোর্টে ভূরি ভূরি অভিযোগ জমা পড়ছে, তা জানিয়ে মমতা বলেন, "আজকেও কোর্টে কেস আছে। কোর্টের ব্যাপারটা কোর্টের ওপর ছেড়ে দিচ্ছি, কিন্তু মানুষের যাতে দুর্ভোগ না হয় রাজনৈতিক লড়াইটা আমরা রাজনৈতিকভাবেই লড়াই করব।"
যাতে কোনও প্রকৃত ভোটারের নাম বাদ না পড়ে তাই প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েতে শাসকদলের পাশাপাশি রাজ্য সরকারের তরফেও ক্যাম্প চালু করার কথা আগেই জানিয়েছেন মমতা। এদিনের সভা থেকে মানুষকে আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, "ন্যাহ্য কারও নাম কেটে বাদ দিলে জানান, দরকার হলে ডিএম অফিসেও চিঠি দিন, আমাদেরও দিন। প্রত্যেকটা কেস টেক আপ করব, আমরা এই রাজনীতি করি না, যে শীতে থাকি বর্ষায় থাকি না। সারা বছর তো বটেই, দুর্দিনেও আমাদের পাবেন। কোনও অসুবিধা হলে আমাদের ক্যাম্পে যোগাযোগ করবেন।"
এজেন্সিকে বিজেপির 'তোতাপাখি' বলে সম্বোধন করে শীতলকুচির আনন্দ বর্মণের প্রসঙ্গ টেনে আনেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায়, "শীতলকুচির কেসে আনন্দ বর্মণের মামলায় ওনার পরিবারের লোকেদের এখনও গ্রেফতার করে রেখেছে। কী অন্যায় দেখুন। যে গুলি চালাল, তার কিছু হল না। আর যার পরিবার মারা গেল, তাদের পরিবারকে জেল খাটতে হচ্ছে। আসলে এই যে কেন্দ্রীয় এজেন্সি, তোতাপাখির বুলি। একেবারে পাপেট। বিজেপি তো এজেন্সিগুলোকে পাপেটে পরিণত করেছে। আর কেন্দ্রীয় সরকার একটা স্বৈরাচারী সরকার। শকুনি মামার সরকার।"
এখানেই না থেমে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে আক্রমণের সুর চড়িয়ে মমতা এও বলেন, পুলিশের দরকার নেই, তবু ১ কোটি পুলিশ পাঠাবে। তাঁদের থাকা, খাওয়া, ওয়াশরুম সব খরচ করবে রাজ্য আর কেন্দ্র গুলি চালাবে , ডান্ডা চালাবে! আর বর্ডারে গিয়ে মানুষের ওপর অত্যাচার করবে।"