ধর্মতলা থেকে শুরু করে নবান্ন চত্বর, সাঁতরাগাছিতে ব্যারিকেড দিয়ে আন্দোলন আটকানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেই ব্যারিকেড সরাতেই উদ্যত প্রতিবাদীরা।

ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টায় প্রতিবাদীরা - নিজস্ব ছবি
শেষ আপডেট: 9 August 2025 13:05
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আরজি কর কাণ্ডের (RG Kar Case) ১ বছর পূর্ণ হয়েছে শনিবার। সম্পূর্ণ ন্যায়বিচারের দাবিতে নবান্ন অভিযান (Nabanna Abhijan) হচ্ছে আজ। তবে অভিযান রুখতে অনেক আগে থেকেই তৎপর ছিল পুলিশ। ধর্মতলা থেকে শুরু করে নবান্ন চত্বর, সাঁতরাগাছিতে (Santragachi) ব্যারিকেড দিয়ে আন্দোলন আটকানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেই ব্যারিকেড সরাতেই উদ্যত প্রতিবাদীরা।
ইট দিয়ে আঘাত করে সাঁতরাগাছির পুলিশি ব্যারিকেডের ভাঙার চেষ্টা করছেন আন্দোলনকারীরা। এদিকে মিছিল রুখতে ব্যারিকেডের ওপারে জলকামান, কাঁদানে গ্যাস নিয়ে তৈরি পুলিশ। এদিকে নিজেদের অবস্থানে অনড় বিক্ষোভকারীরা। ব্যারিকেড টপকে তারা নবান্নর উদ্দেশে যেতে চায়। 'দফা একা, দাবি এক - মমতার পদত্যাগ', এই স্লোগান দিয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে কাচের বোতল, প্ল্যাকার্ড সব ছোড়ার ঘটনাও ঘটেছে ইতিমধ্যে। সবমিলিয়ে সরগরম সাঁতরাগাছি।
এক বছর আগে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের (RG Kar Protest) চিকিৎসক ছাত্রী খুনের বিচার দাবিতে নাগরিক সমাজ ও ছাত্র সংগঠনগুলো আজ, ৯ অগস্ট নবান্ন অভিযানের ডাক দেওয়া হয়েছে। তবে, এই আন্দোলনকে ঠেকাতে সকাল থেকে প্রশাসন একেবারে প্রস্তুত। এবারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নজিরবিহীন ও শক্তিশালী, যা এক কথায় ‘দুর্গে’ পরিণত করেছে নবান্নকে।
ওই চত্বর ছাড়াও সাঁতরাগাছি সহ বাকি যে সব জায়গায় ব্যারিকেড দেওয়া হয়েছে সেগুলি তৈরিতে বিপুল পরিমাণ সিমেন্ট, লোহার বিম এবং মোটা লোহার রড ব্যবহার করা হয়েছে, যাতে এগুলো ভাঙা, বাঁকানো বা সরানো প্রায় অসম্ভব। তার কারণও রয়েছে। এর আগে একবার বিজেপির ডাকা নবান্ন অভিযানের সময়ে গলিপথ ধরে আন্দোলনকারীরা প্রায় নবান্নের দোরগোড়ায় পৌঁছে গেছিলেন। সে সময়ে প্রশাসনের তরফে ফোন করা হয়েছিল বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে। নইলে বিপত্তি ঘটে যেতে পারত।
যদিও নবান্ন অভিযানের উদ্দেশ্য ছিল বিচারপ্রাপ্তির দাবিতে সশস্ত্র প্রতিরোধ, তবুও প্রশাসনের কঠোর নিরাপত্তার কারণে মিছিলের পথ আটকে গেছে।