Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
TB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তানসরকারি গাড়ির চালককে ছুটি দিয়ে রাইটার্স থেকে হাঁটা দিলেন মন্ত্রীছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কা

কৃষ্ণনগরে উদ্ধার বাংলাদেশ থেকে পাচার হওয়া সোনা, ডিআরআই অভিযানে বাজেয়াপ্ত ৪.৯ কেজি

 উদ্ধার হওয়া সোনার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৬.৬৮ কোটি টাকা। নির্দিষ্ট খবরের ভিত্তিতে ওই সংস্থার গোয়েন্দারা বুধবার অভিযান চালান।

কৃষ্ণনগরে উদ্ধার বাংলাদেশ থেকে পাচার হওয়া সোনা, ডিআরআই অভিযানে বাজেয়াপ্ত ৪.৯ কেজি

শেষ আপডেট: 7 January 2026 19:15

দ্য ওয়াল ব্যুরো: নদিয়ার কৃষ্ণনগরে বড়সড় সোনা পাচারের চেষ্টা বানচাল করে দিলেন গোয়েন্দারা। কেন্দ্রীয় সরকারের অর্থমন্ত্রকের অধীনস্থ গোয়েন্দা সংস্থা ডিআরআই-য়ের (Directorate of Revenue Intelligence) কলকাতা জোনাল অফিস বুধবার বিশেষ গোয়েন্দা অভিযানে বাংলাদেশ থেকে পাচার হয়ে আসা প্রায় ৪.৯ কেজি বিদেশি সোনা উদ্ধার করেছে। বাজেয়াপ্ত সোনার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৬.৬৮ কোটি টাকা।

ডিআরআই সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার নদিয়ার কৃষ্ণনগরের কাছে অভিযান চালানো হয়। বড় আন্দুলিয়া থেকে চাপরার দিকে যাওয়ার পথে লক্ষ্মীগাছা মোড়ে একটি মোটরসাইকেল থামিয়ে তল্লাশি চালান গোয়েন্দারা। ওই মোটরসাইকেল আরোহীর কাছ থেকে উদ্ধার হয় ২১টি হলুদ ধাতব বস্তু। প্রাথমিক পরীক্ষায় দেখা যায়, সেগুলির মধ্যে রয়েছে বিদেশি চিহ্নযুক্ত সোনার বার, বিকৃত বার এবং খুচরো সোনা।

ডিআরআই জানিয়েছে, ধৃত ব্যক্তি তল্লাশির সময় কোনও বৈধ নথি বা পরিচয়পত্র দেখাতে পারেননি। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি স্বীকার করেন, উদ্ধার হওয়া সোনাগুলি বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে ভারতে পাচার করা হয়েছিল। সীমান্ত পারাপারের পর স্থানীয় নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সেগুলি দেশের অভ্যন্তরে সরবরাহের পরিকল্পনা ছিল বলেও তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান।

উদ্ধার করা সোনা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে কাস্টমস আইন, ১৯৬২-এর প্রাসঙ্গিক ধারায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই ঘটনার সঙ্গে আরও কোনও পাচারচক্র জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখছে ডিআরআই। একই সঙ্গে পাচারের রুট, স্থানীয় সহযোগী ও আর্থিক লেনদেনের সূত্র ধরেও তদন্ত এগোচ্ছে।

উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে পূর্ব সীমান্ত দিয়ে সোনা পাচারের একাধিক ঘটনা সামনে এসেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় এই ধরনের চোরাচালান বেড়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। নদিয়া-সহ সীমান্তঘেঁষা এলাকাগুলিতে নজরদারি আরও কড়া করা হবে বলেও ডিআরআই সূত্রের খবর।

এদিকে তদন্তকারীরা মনে করছেন, এই পাচারকাণ্ড কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং একটি সংগঠিত চোরাচালান চক্রের অংশ। সীমান্তের ওপার থেকে সোনা এনে নদিয়া হয়ে কলকাতা ও অন্যান্য বড় শহরে পৌঁছে দেওয়ার একটি সক্রিয় নেটওয়ার্ক কাজ করছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনে ধৃত ব্যক্তিকে হেফাজতে নিয়ে জেরা করে আরও তথ্য সংগ্রহ করা হবে বলে ডিআরআই সূত্রে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি সীমান্ত এলাকায় নজরদারি আরও জোরদার করা হচ্ছে, যাতে ভবিষ্যতে এই ধরনের সোনা পাচারের চেষ্টা আগেভাগেই রুখে দেওয়া যায়।


```