বিঘের পর বিঘে জমিতে চাষের ফুলকপি, সবই নষ্ট হয়ে গেছে প্রতিকূল আবহাওয়ায়। এখন কী করে এই ক্ষতি সামলাবেন, বুঝে পাচ্ছেন না ঋণ নিয়ে চাষ করেছেন অনেকেই। সেই টাকা কীভাবে শোধ করবেন, ভেবে চিন্তায় ঘুম উড়েছে তাঁদের।

শেষ আপডেট: 1 October 2025 12:40
দ্য ওয়াল ব্যুরো, মুর্শিদাবাদ: দেবী দুর্গার ভোগে লাগবে। সে কথা মাথায় রেখেই লাভের আশায় ফুলকপি চাষ করেছিলেন হরিহরপাড়া থানার দস্তুরপাড়া গ্রামের চাষিরা। প্রতিবছরের মতো এবারও জমি ভরে ফুলকপির ফলন হলেও, গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি আর তারপরে প্রচণ্ড রোদে বড়সড় ক্ষতির মুখে পড়েছেন চাষিরা।
খেতের কপি নষ্ট হচ্ছে খেতে। বিঘের পর বিঘে জমিতে চাষের ফুলকপি, সবই নষ্ট হয়ে গেছে প্রতিকূল আবহাওয়ায়। এখন কী করে এই ক্ষতি সামলাবেন, বুঝে পাচ্ছেন না ঋণ নিয়ে চাষ করেছেন অনেকেই। সেই টাকা কীভাবে শোধ করবেন, ভেবে চিন্তায় ঘুম উড়েছে তাঁদের।
চাষি বাহারুল শেখ বলেন, “বহু বছর ধরে ফুলকপি চাষ করছি, কিন্তু এবছর বৃষ্টির পরে প্রচণ্ড রোদে সব পচে নষ্ট হয়ে গেল। বিঘা প্রতি প্রায় ২৫ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। এবার সেই খরচ উঠবে কা করে জানি না।’’
উৎসবের মরশুমে খুচরো বাজারে একটি ফুলকপির দাম ৩৫ থেকে ৪০ টাকা এবং পাইকারি বাজারে প্রায় ২৫- ৩০ টাকা। গত বছর এই গ্রামের চাষিরা ফুলকপি চাষ করে প্রায় ৮০ থেকে ৯০ হাজার টাকা পর্যন্ত লাভ করেছিলেন। কিন্তু এবছর পুরোটাই লোকসান। তাই আগামী দিনের কথা ভেবে মাথায় হাত পড়েছে চাষিদের।
দস্তুরপাড়া গ্রাম মূলত ফুলকপি চাষের উপরই নির্ভরশীল। চাষিদের অভিযোগ, কৃষি দফতরে গিয়েও কোনও কার্যকর পরামর্শ পাচ্ছেন না তাঁরা। ফলে পুজোর মরশুমে লাভ তো দূরের কথা, মূলধন ফেরত পাওয়া নিয়েই দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।