Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
TB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তানসরকারি গাড়ির চালককে ছুটি দিয়ে রাইটার্স থেকে হাঁটা দিলেন মন্ত্রীছত্তীসগড়ে পাওয়ার প্ল্যান্টে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ! মৃত অন্তত ৯, ধ্বংসস্তূপের নীচে অনেকের আটকে পড়ার আশঙ্কা

বাংলায় শুরু হচ্ছে নতুন ব্যবস্থা, পথ দুর্ঘটনায় আহত হলে মিলবে ক্যাশলেস চিকিৎসা

অনেক সময়েই পথ দুর্ঘটনায় আহত হলে চিকিৎসার খরচ জোগাড় করতে না পারায় বিলম্ব হয়। এবার সেই সমস্যারই স্থায়ী সমাধানের পথে সরকার।

বাংলায় শুরু হচ্ছে নতুন ব্যবস্থা, পথ দুর্ঘটনায় আহত হলে মিলবে ক্যাশলেস চিকিৎসা

ছবি: এআই

শুভম সেনগুপ্ত

শেষ আপডেট: 14 October 2025 08:00

দ্য ওয়াল ব্যুরো: পথ দুর্ঘটনায় আহত হলেই আর চিকিৎসার খরচ নিয়ে দুশ্চিন্তা নয়। রাজ্য জুড়ে (West Bengal) চালু হতে চলেছে নতুন ক্যাশলেস চিকিৎসা পরিষেবা (Cashless treatment)। দুর্ঘটনার পর ‘গোল্ডেন আওয়ারে’ অর্থাৎ প্রথম এক ঘণ্টায় দ্রুত চিকিৎসা শুরু করা গেলে অনেক সময়েই প্রাণ বাঁচানো সম্ভব। কিন্তু অনেক সময়েই চিকিৎসার খরচ জোগাড় করতে না পারায় বিলম্ব হয়। এবার সেই সমস্যারই স্থায়ী সমাধানের পথে সরকার।

কীভাবে কাজ করবে এই পরিষেবা?

কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশ মেনে দুর্ঘটনায় জখম ব্যক্তিকে হাসপাতাল বা নার্সিংহোমে নিয়ে গেলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ক্যাশলেস চিকিৎসার সুবিধা মিলবে। এই খাতে সর্বাধিক দেড় লক্ষ টাকা পর্যন্ত খরচ বহন করবে কেন্দ্রীয় প্রকল্প। অতিরিক্ত খরচ রোগীর দায়িত্বে থাকবে। এর জন্য রাজ্যজুড়ে বেসরকারি হাসপাতাল ও নার্সিংহোমের তালিকা তৈরি হচ্ছে।

দুর্ঘটনার পর পুলিশ আহতকে নিকটবর্তী তালিকাভুক্ত হাসপাতালে ভর্তি করবে। চিকিৎসকরা দেখেই ঠিক করবেন ভর্তি নেওয়া দরকার কি না। যদি রোগীকে ভর্তি করা হয়, তবে ‘পেশেন্ট আইডি’ তৈরি করে তা সংশ্লিষ্ট থানায় পাঠানো হবে। থানার তরফে এফআইআর নম্বর ও অন্যান্য তথ্য যুক্ত করে তা কেন্দ্রীয় পোর্টালে আপলোড করা হবে। এরপর রোড সেফটি কমিটি সব তথ্য যাচাই করে অর্থ অনুমোদন দেবে।

যদি দুর্ঘটনার এলাকায় তালিকাভুক্ত হাসপাতাল না থাকে, তাহলে অন্য কোনও হাসপাতালে ভর্তি করালেও প্রকল্পের আওতায় দেড় লক্ষ টাকা পর্যন্ত চিকিৎসা খরচ মিটবে। শর্ত—কেন তালিকার বাইরে হাসপাতালে ভর্তি করানো হল, তার কারণ ও নথি আপলোড করতে হবে। এমনকি, দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়ির বিমা না থাকলেও বা মেয়াদ ফুরিয়ে গেলেও এই প্রকল্পের আওতায় অর্থ পাওয়া যাবে।

জেলাওয়ারি কমিটি পর্যবেক্ষণ করবে হাসপাতাল বা নার্সিংহোম ঠিকমতো চিকিৎসা দিচ্ছে কি না। কারও ভর্তি নেওয়ার যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে কি না, তাও দেখা হবে। এর ফলে দুর্ঘটনার পর চিকিৎসা শুরুতে আর বিলম্ব হওয়ার আশঙ্কা অনেকটাই কমে যাবে বলে মনে করছেন প্রশাসনিক কর্তারা।

মুখ্যসচিবের নেতৃত্বে ইতিমধ্যেই পুলিশ ও স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে এই নিয়ে বৈঠক হয়েছে। শিগগিরই চূড়ান্ত এসওপি (Standard Operating Procedure) তৈরি করে প্রকল্পটি রাজ্যে চালু করা হবে।


```