২ জুলাই রাতে মানিকচকের রোজমেরি মিশনারি স্কুল হোস্টেল থেকে ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয় শ্রীকান্ত মণ্ডলের। স্কুলপক্ষের দাবি, আত্মহত্যা। তবে ছাত্রের বাবা প্রথম ময়নাতদন্তে সন্দেহ প্রকাশ করেন। তাঁর দাবি, ছেলেকে খুন করা হয়েছে।

ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 16 July 2025 14:25
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মালদহের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র শ্রীকান্ত মণ্ডলের রহস্যমৃত্যু (Maldah Boy Death) ঘিরে নতুন মোড়। কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court) নির্দেশ দিয়েছে, বরফে প্রায় ১৫ দিন ধরে রাখা মৃতদেহের দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্ত হবে কল্যাণীর এইমসে (Second Autopsy, AIIMS Kalyani)। বুধবার বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ এই নির্দেশ দেন।
এইমস কর্তৃপক্ষ আদালতে রিপোর্ট দিয়ে জানায়, ময়নাতদন্তের পরিকাঠামো তৈরি রয়েছে। তবে তারা নিজে থেকে অটোপসি সার্জেন পাঠাবে না। মৃতদেহ কল্যাণীতে আনার পর তদন্তে কোনও সমস্যা হবে না।
পরিবার নিজে খরচ দিতে ইচ্ছুক হওয়ায় আদালত জানায়, মানিকচক থানার তদন্তকারী অফিসার ওই খরচে দেহ কল্যাণীতে আনতে পারবেন। বৃহস্পতিবার দুপুরের মধ্যেই তা করতে হবে। তবে অটোপসির সময় না তদন্তকারী অফিসার, না পরিবারের কেউ ঢুকতে পারবেন। ঘটনাটি সম্পূর্ণ ভিডিয়োগ্রাফি করতে হবে।
আদালতের নির্দেশ, দ্বিতীয় ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট যদি আগের রিপোর্টের থেকে ভিন্ন হয়, তা তদন্তকারী অফিসারকে জানাতে হবে। পাশাপাশি, তদন্ত হস্তান্তর সহ অন্যান্য দাবির জন্য পরিবার নতুন আবেদন করতে পারবে।
২ জুলাই রাতে মানিকচকের রোজমেরি মিশনারি স্কুল হোস্টেল থেকে ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয় শ্রীকান্ত মণ্ডলের। স্কুলপক্ষের দাবি, আত্মহত্যা। তবে ছাত্রের বাবা প্রথম ময়নাতদন্তে সন্দেহ প্রকাশ করেন। তাঁর দাবি, ছেলেকে খুন করা হয়েছে।
ঘটনার পর থেকেই প্রশ্ন উঠছে, কীভাবে স্কুলে এই ঘটনা ঘটল, কারা ছিল দায়ী, এবং আত্মহত্যার দাবির পিছনে কোনও চাপ ছিল কি না। দ্বিতীয় ময়নাতদন্তে সেই প্রশ্নের উত্তর মেলে কিনা সেটাই দেখার।