Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
রহস্য আর মনের অন্ধকারে ঢুকে পড়ল ‘ফুল পিসি ও এডওয়ার্ড’! টিজারে চমকজিৎ-প্রযোজক দ্বন্দ্বে আটকে মুক্তি! ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’-এর মুক্তি বিশ বাঁও জলে?কিউআর কোড ছড়িয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ! কীভাবে রাতারাতি নয়ডার বিক্ষোভের প্ল্যানিং হল, কারা দিল উস্কানি?নয়ডা বিক্ষোভ সামাল দিতে 'মাস্টারস্ট্রোক' যোগী সরকারের! শ্রমিকদের বেতন বাড়ল ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত Jeet: ভুয়ো প্রচার! ভোট আবহে গায়ে রাজনীতির রঙ লাগতেই সরব জিৎ৪ হাজার থেকে নিমেষে ১ লক্ষ ৮৫ হাজার ফলোয়ার! এক স্পেলেই সোশ্যাল মিডিয়ার নতুন তারকা প্রফুল্লসামনে কাজল শেখ, মমতা কথা শুরু করতেই হাত নেড়ে বিরক্তি প্রকাশ অনুব্রতর! সিউড়িতে কী ঘটলEPL: নায়ক ওকাফর! ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ৪৫ বছরের অভিশাপ মুছল লিডস, রক্ষণের ভুলে ডুবল ম্যান ইউAsha Bhosle: 'এত ভালবাসার সবটাই তোমার...,' ঠাকুমার স্মৃতি আঁকড়ে আবেগঘন পোস্ট নাতনি জানাইয়েরSupreme Court DA: ডিএ নিয়ে সময়সীমা বৃদ্ধির আর্জি, বুধবার রাজ্যের মামলা শুনবে সুপ্রিম কোর্ট

'টাকা দিচ্ছে না', ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান নিয়ে কেন্দ্রের ঘাড়েই দায় চাপাল রাজ্য, হলফনামা জমা

বিচারপতি সুজয় পালের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, এই মামলায় কেন্দ্রীয় সরকারকেও পক্ষভুক্ত করতে হবে। চার সপ্তাহের মধ্যে এই মামলার ফের শুনানি হবে।

'টাকা দিচ্ছে না', ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান নিয়ে কেন্দ্রের ঘাড়েই দায় চাপাল রাজ্য, হলফনামা জমা

ফাইল ছবি

সৌভিক বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: 18 August 2025 17:19

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান (Ghatal Master Plan) নিয়ে ফের আইনি লড়াই তুঙ্গে। রাজ্য সরকারের (State Govt) পক্ষ থেকে আদালতে (Calcutta High Court) হলফনামা জমা দিয়ে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, প্রকল্পে অগ্রগতি না হওয়ার জন্য দায়ী কেন্দ্র (Central Govt)।

সোমবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে রাজ্যের দাবি, কেন্দ্রীয় সরকার প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ করছে না। ফলে পুরোপুরি পরিকল্পনা কার্যকর করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে কেন্দ্রের টাকা ছাড়াও নিজেদের উদ্যোগে কিছু কাজ চলছে বলে আদালতে জানিয়েছে রাজ্য।

অন্যদিকে মামলাকারীরা অভিযোগ তুলেছেন, এতদিনেও রাজ্যের তরফে জমি অধিগ্রহণ করা হয়নি, ড্রেজিংয়ের কাজও শুরু হয়নি। তাই সরকারের তরফে যা বলা হচ্ছে তা ভিত্তিহীন।

দু'পক্ষের বক্তব্য শুনে এদিন বিচারপতি সুজয় পালের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, এই মামলায় কেন্দ্রীয় সরকারকেও পক্ষভুক্ত করতে হবে। চার সপ্তাহের মধ্যে এই মামলার ফের শুনানি হবে।

বিগত কয়েক বছর ধরেই 'ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান' কথাটা শুনে চলেছেন সেখানকার মানুষ। কিন্তু তার কোনও বাস্তবায়ন নেই। তাই বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হলে সেখানকার জনজীবনের কোনও পরিবর্তনই হয় না। প্রতি বছরই বর্ষার সময়ে দেখা যায় ঘাটাল ডুবে গেছে। কোথাও হাঁটু বা কোথাও কোমর জলে থাকতে হয় সাধারণ মানুষকে। অন্তত ৩-৪ মাস এইভাবে হয়রানির শিকার হন তাঁরা। তা নিয়ে রাজনৈতিক পারদও চড়তে থাকে। তবে সম্প্রতি আবার সরকারের তরফে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে যে খুব শীঘ্রই প্রকল্পের কাজ শেষ হবে।

এই প্রসঙ্গ অবশ্য দ্য ওয়াল-কে সেখানকার সাংসদ দেব জানিয়েছিলেন, ''অনেক পরিশ্রম করে প্রকল্প অনুমোদন করিয়েছি। আমি তো একমাত্র এমপি ছিলাম না ঘাটালে। আমার আগে বড় বড় নেতারা সেখানে দায়িত্বে ছিলেন। কিন্তু আমিই অনুমোদন করিয়েছি। তাও আমাকে ট্রোল করা হয়। এগুলো শোনা আমার অভ্যাস হয়ে গেছে। কিন্তু প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়া পর্যন্ত তো অপেক্ষা করতে হবে। যতদিন না হবে ততদিন আমাকে গাল খেতে হবে।''


```