গ্রেফতারির পাঁচ দিনের মাথায় যাদবপুরের প্রাক্তনী হিন্দোল মজুমদারকে (Hindol Majumder) জামিন দিল আলিপুর আদালত (Alipore Court)।

হিন্দোল মজুমদার ও ব্রাত্য বসু
শেষ আপডেট: 18 August 2025 16:31
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গ্রেফতারির পাঁচ দিনের মাথায় যাদবপুরের প্রাক্তনী (Jadavpur University) হিন্দোল মজুমদারকে (Hindol Majumder) জামিন দিল আলিপুর আদালত (Alipore Court)। তিন দিন পুলিশ হেফাজতে ছিলেন এই গবেষক। বুধবার দিল্লি বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার (Arrest) করা হয়েছিল তাঁকে।
সোমবার আলিপুর আদালতে হিন্দোলের জামিনের বিরোধিতা করে জেল হেফাজতের আবেদন করে সরকারপক্ষ। কিন্তু তা ধোপে টেকেনি। জামিনের বিরোধিতা করে কোর্টে হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট পেশ করে রাজ্য। তখনই বিচারক বলেন, তাহলে তথ্য প্রযুক্তি আইনে মামলা নয় কেন? তখন সরকার পক্ষের আইনজীবী বলেন, জামি পেলে তদন্ত প্রভাবিত হতে পারে। তদন্তে এই মুহূর্তে যেহেতু কোনও অগ্রগতি নেই, তাই রাজ্য সরকারের আপত্তি উড়িয়ে হিন্দোলকে জামিন দেয় আলিপুর আদালত।
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফার্মেসিতে বি-টেক করেছিলেন হিন্দোল। বর্তমানে তিনি স্পেনে গবেষণারত। স্পেন থেকেই বুধবার দেশে ফিরেছিলেন। দিল্লি বিমানবন্দরে তাঁকে আটক করা হয়। হিন্দোলের বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিস জারি করা ছিল। সেই কারণে অভিবাসন বিভাগ তাঁকে আটকায়। পরে তাঁকে হেফাজতে নেয় দিল্লি পুলিশ। আজ ট্রানজিট রিমান্ডের জন্য আদালতে হাজির করানো হয় তাঁকে।
পুলিশ সূত্রে খবর, গত ১ মার্চ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষামন্ত্রীর গাড়িতে যে হামলার ঘটনা ঘটেছিল, তার মূলচক্রী ছিলেন হিন্দোল। লুকআউট নোটিসের ভিত্তিতে তাঁকে বুধবার সকালে দিল্লিতে আটক করা হয়।
তৃণমূলপন্থী অধ্যাপকদের সংগঠন ওয়েবকুপার বার্ষিক সম্মেলনে যোগ দিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়েছিলেন ব্রাত্য। সেখান থেকে বেরোনোর সময় দফায় দফায় তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখানো হয়েছিল। ঘিরে ফেলা হয়েছিল শিক্ষামন্ত্রীর গাড়ি। মূলত বামপন্থী ছাত্র সংগঠনের বিক্ষোভের মুখে পড়েছিলেন ব্রাত্য। অভিযোগ, তাঁর গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। তাতে জখম হন ব্রাত্য নিজেও। বিক্ষোভকারী ছাত্রছাত্রীদের পাল্টা অভিযোগ, মন্ত্রীর গাড়ি এক ছাত্রকে ‘চাপা’ দিয়েছে। পরে ওয়েবকুপার সদস্যদের সঙ্গেও বিক্ষোভকারীদের ধস্তাধস্তি হয়। এই ঘটনায় যে এফআইআর দায়ের হয়েছিল, তাতে হিন্দোলের নাম ছিল।